কৃষি জমিতে ভবন নির্মাণের অনুমতি নেই

সু.খবর ডেস্ক
কৃষি জমিতে ভবন নির্মাণের অনুমতি নেই বলে জানিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। তিনি বলেন, দেশের কৃষি জমি রক্ষার স্বার্থে কৃষি জমিতে ভবন নির্মাণের অনুমতি দেয়া হয় না। এ লক্ষ্যে পরিকল্পিত আবাসিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অন্যতম প্রধান কাজ। এ মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এ লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সালমা ইসলামের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, দেশের কৃষি জমি রক্ষার লক্ষ্যে পরিকল্পিত আবাসিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, বরিশাল, পটুয়াখালী, মাগুরা, শরিয়তপুর, মাদারীপুর জেলার সদর ও শিবচর উপজেলায়, খুলনা, কুষ্টিয়া, পাবনা, যশোর, বগুড়া, দিনাজপুর, রংপুর, নোয়াখালী, চাঁদপুর কুমিলা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, মৌলভীবাজার এবং চট্টগ্রাম জেলায় আবাসিক পট উন্নয়ন প্রকল্প বান্তবায়িত হয়েছে এবং বরাদ্দপ্রাপ্তদের কাছে তা হস্তান্তর করা হয়েছে।
গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, এছাড়াও গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বর্তমানে ২৩টি আবাসিক পট উন্নয়ন প্লটসহ মোট ৪১টি প্রকল্পের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এর বাইরে আরও ২৭টি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন।
ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন জানান, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রণীত ডিটেইল্ড এরিয়া প্যান ২০১২-২০১৫ এ ঢাকা শহরে যত্রতত্র বসতি স্থাপন ও অন্য অকৃষি ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি জমি দখলরোধে নির্দেশনা প্রদান করা আছে।         
কৃষি জমি রক্ষাকল্পে ওই মহাপরিকল্পনায় রাজউক আওতাধীন এলাকায় বিদ্যামান কৃষি জমি চিহ্নিত করা হয়েছে এবং ওই সব জমিতে কৃষি বিষয়ক কর্মকান্ড ব্যতিরেকে অন্য কাজ করা যাবেনা।
গণপূর্তমন্ত্রী জানান, এর বাইরে রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের পৃথক পৃথক উন্নয়ন পরিকল্পনা রয়েছে যেখানে কৃষি এলাকা, আবাসিক এলাকা, বাণিজ্যিক এলাকা, শিল্প এলাকা ও জলাশয়সহ বিভিন্ন ভূমি ব্যবহার চিহ্নিত করা আছে।
পরিকল্পনায় নির্দেশিত আবাসিক এলাকাতেই শুধু মাত্র ভবন নির্মাণের অনুমতি প্রদান করা হয়ে থাকে।