খাদ্যদ্রব্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার দাবি

স্টাফ রিপোর্টার
আজ থেকে সপ্তাহব্যাপী সারা দেশে কঠোর লকডাউন। এদিকে মুসলিম সম্প্রদায় প্রথম রোজা পালন করছেন আজ। রমজান, লকডাউন এবং পহেলা বৈশাখ কে সামনে রেখে গত কিছু দিন ধরে বাজারে লোক সমাগম ছিল বেশি।
সরেজমিনে দেখা যায়, শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকা, ট্রাফিক পয়েন্ট, সুরমা মার্কেট এলাকা ও থানার সামনের মার্কেটে বেশি লোকসমাগম ছিল। জগন্নাথবাড়ি এলাকায় ভুষিমাল ও মুদিমালের দোকানে ক্রেতাদের ভিড় ছিল। গরম মসলার দোকানেও ছিল ক্রেতাদের ভিড়। খেজুর প্রতি কেজি ছিল ৯০ টাকা থেকে ১শ’ টাকা করে বিক্রি করেছেন ব্যবসায়ীরা। ভুষিমালের দোকানে, মুদিমালের দোকানে খাদ্য পণ্যের দাম আগের মতই রয়েছে। তবে দেশীয় পেঁয়াজের দাম প্রতি কেজিতে ২-৩ টাকা করে বেড়েছে।
বাজারে আসা আব্দুল জব্বার বলেন, নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কমছে না। ৩ মাস আগে যে জিনিসপত্রের দাম বেড়েছিল, এভাবেই আছে। বরং দেশীয় পেঁয়াজে প্রতি কেজিতে ২-৩ টাকা করে বেড়েছে। বাজারে জিনিসপত্রের দাম নিয়ন্ত্রণ রাখা জরুরি।
ক্রেতা মরম আলী বলেন, এখন জিনিসপত্রের দাম না বাড়লেও তিন মাস আগে থেকে বেড়ে উঠেছে খাদ্য পণ্যের দাম। দাম কমাতে ব্যবসায়ীদের কোনো পরিকল্পনা নেই। বরং সুযোগে বাড়ানোর চিন্তা ব্যবসায়ীদের।
পত্রিকা বিক্রেতা নুর হোসেন বলেন, দাম কমছে না কোনো জিনিসের। আমরা দিনে রোজগার করে যে টাকা পাই সেই টাকা দিয়ে এখন পুষায় না।
মাও. কবির আহমদ বলেন, প্রতিবছর পবিত্র রমজান মাসে সকল খাদ্যদ্রব্যের দাম বাড়ে। সারা বছর থাকে এক রকমের দাম, রমজান মাস আসলে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে উঠে একেবারে তুঙ্গে। দিনমজুর শ্রেণীর রোজাদার পড়েন মারাত্মক বিপাকে। বাজার মূল্য নিয়ন্ত্রণ রাখা জরুরি প্রয়োজন।
শহরের মিউনিসিপ্যাল মার্কেটের ভুষিমালের ব্যবসায়ী প্রাণেশ রায় বলেন, ক্রেতারা রমজান মাসের বাজার হিসাবে চানা, ডাল, পোলাও চাল, তৈল, পেঁয়াজ, রসুন ইত্যাদি কিনে নিয়েছেন। আমার দোকানে জিনিসপত্রের দাম আগের মতই। দেশীয় পেঁয়াজে ২-৩ টাকা করে বেড়েছে বাজারে।