গ্রামাঞ্চলে চাল ও আটার আগুন

আল আমিন
জেলা শহর ও উপজেলা সদরে মোবাইলকোর্ট, সতর্কতার মাইকিং হলে  গ্রামাঞ্চলের বাজারগুলোতে চাল ও আটা উচ্চমূল্যে বিক্রি হচ্ছে।  টানাবৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলে এবং অসময়ে নির্মিত বাঁধ ভেঙে এবং আফর রক্ষার কাজ না হওয়া বাঁধ উপচে জেলার সবগুলো হাওর ডুবে যাওয়ায় হঠাৎ করে চালের দাম বেড়ে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ।
শুক্রবার দুপুরে সদর উপজেলার টুকেরবাজার ও  বেরাজালি বাজার ঘুরে দেখা যায়, এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজি প্রতি চাল ও আটার দাম ৮ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। ১৫ দিন আগেও যেখানে ৫০  কেজি’র চালের বস্তা ১৭০০-১৮০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে সেই চাল শুক্রবার দোকানীরা ২৪০০ থেকে ২৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আটার বস্তা বিক্রী হচ্ছে ১৩০০ থেকে ১৪০০ টাকা।
টুকের বাজারে আসা চালের ক্রেতা শিবলু আহমদ চৌধূরী বলেন,  ‘বাজারে চালের দাম বেশি।  আমি বাজারে আসছিলাম এক বস্তা চাল কেনার জন্য, আমি যে টাকা এনেছি এই টাকায় এক বস্তা চাল আজ কেনা যাবে না, আমাকে খুচরা হিসাবে কিনতে হবে।’
ব্যবসায়ী ওয়াজিদ আলী বললেন, ‘গত কয়েক দিনের বৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলে জেলার সবগুলো হাওরের ধান তলিয়ে যাওয়ায় এখন বাজারে চাল ও আটার চাহিদা বেশি। মানুষের চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ নেই। বড় বড় মহাজনরা আমাদের চাহিদামত চাল আটাও দিচ্ছে না। এ কারণে বাজারে চাল ও আটার দাম বেশি।’  
বেরাজালি বাজারের ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘হাওরগুলো তলিয়ে যাওয়ার পর থেকেই আমরা যেসব ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাল আনি তারা দাম বাড়িয়েছে, এজন্য আমরাও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।’