তাহিরপুরে ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ত্রাণ না পেয়ে ফিরে গেলেন শত শত নারী পুরুষ

তাহিরপুর প্রতিনিধি
তাহিরপুরে গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে সুনামগঞ্জ ১ আসনের সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে নির্বাচনী এলাকা (জামালগঞ্জ, ধরমপাশা, মধ্যনগর ও তাহিরপুর) উপজেলায় ত্রাণ বিতরণ করা হবে বলে ব্যাপক প্রচারণা চালান স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীরা।
রবিবার দুপুর ১২টার দিকে সাংসদ মোয়াজ্জেম হোসেন রতন প্রথমে তাহিরপুর উপজেলা সদরে ত্রাণ বিতরণ করেন। পরে দুপুর সোয়া একটার দিকে উপজেলার অন্যতম বাণ্যিজিক কেন্দ্র বাদাঘাট বাজারে আসেন ত্রাণ বিতরণ করতে। প্রথমে তিনি স্থানীয় আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে যান ত্রান বিতরণ করতে। কিন্তু সেখানে ত্রাণ নিতে আসা লোকজনের ভিড় সামলাতে না পেরে তাদের বাদাঘাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে যেতে বলেন নেতাকর্মীরা। এইদিকে বিদ্যালয় মাঠে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় চার শতাধিক নারী, পুরুষ ও শিশু লাইন করে দাঁড়িয়ে আছেন ত্রাণের অপেক্ষায়। কিছুক্ষণপর সাংসদ রতন স্কুল মাঠে এসে কয়েকজনকে ত্রাণ দিয়ে দ্রুত চলে যান। তিনি চলে যাওয়ার পরপরই ত্রাণ নিতে আসা লোকজনের মধ্যে শুরু হয় ত্রাণ নিয়ে কাড়াকাড়ি। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি সামলাতে হিমশিম খেতে হয় পুলিশদের। পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে সাংসদের সঙ্গে থাকা স্থানীয় নেতৃবৃন্দ দ্রুত স্কুলমাঠ ত্যাগ করেন।

ত্রাণ নিতে আসা নারী পুরুষ স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ত্রাণ দিতে পারবেনা তাহলে এখানে রৌদের মধ্যে ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড় করিয়ে রাখার মানে কি? এসময় শত শত নারী, পুরুষ ও শিশুকে ত্রাণ না পেয়ে খালি হাতে হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরে যেতে দেখা গেছে।