শহীদ নূর আহমেদ
সম্প্রতি সদর উপজেলার কুতুবপুর এলাকায় ঘটে গেল লোমহর্ষকর ঘটনা। ১৪ বছরের এক কিশোরীকে অপহরণ করে বিশ্বম্ভরপুর চালবন এলাকায় নিয়ে গনধর্ষণ করে উপজেলার লালপুর এলাকার কয়েকজন যুবক। যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে কয়েকদিন ধরে ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে। ঘটনাটি সচেতন নাগরিক মহলে নানা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। জেলার প্রাণ কেন্দ্রে এমন ঘটনায় আতঙ্কে আছেন শহরতলি ও আশেপাশের আবাসিক ও অনাবাসিক এলাকার বাসিন্দারা।
ঘটনার একদিন পর সদর মডেল থানা পুলিশ ধর্ষকদের হোতা মনির মিয়াকে উপজেলার জাহাঙ্গীরনগরের মঙ্গলকাটা এলাকা থেকে আটক করে এবং রুবেল নামে আরেক সদস্য এলাকাবাসীর চাপে থানায় এসে আত্মসমর্পণ করে।
জানা যায়, মেয়েটি নিয়মিত ওস্তাদের সাথে গান শিখতে শহরে আসত। গত সোমবার রাত ১১ টার দিকে শহরের ষোলঘর এলাকা থেকে বাড়ি ফেরার পথে ঝড় আসলে আব্দুজ জহুর সেতুর কাছে আম্বর পয়েন্ট একটি দোকানে আশ্রয় নেয় তারা । কয়েকজন যুবক ওস্তাদ জুয়েল মিয়াকে বেদম মারপিট করে মাইক্রোবাসে করে মেয়েটিকে অপহরণ করে বিশ্বম্ভরপুরের চালবন এলাকায় নিয়ে গনধর্ষণ করে শেষ রাত্রে লালপুর এলাকায় ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পুলিশ মেয়েটিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্যে সুনামগঞ্জ
সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। উন্নত চিকিৎসার জন্যে একদিন পর মেয়েটিকে সিলেট এসএমজি ওসমানি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এই ঘটনায় নির্যাতিতা মেয়ের বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ৬ জনকে আসামী করে সুনামগঞ্জ মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন ।
এদিকে ধর্ষণের ঘটনায় কুতুবপুর ও লালপুর এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা ও ধর্ষিতার পরিবারের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। মেয়ে শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত ।
- শিক্ষকের ভয়ে স্কুল ছেড়েছে ছাত্রী
- হাওরে ফসলডুবি- ধর্মপাশায় পরীক্ষা দিচ্ছে না প্রাথমিকের তিন সহস্রাধিক শিক্ষার্থী


