ছাতক প্রতিনিধি
ছাতকে উত্তরাধিকারী সনদ নিয়ে সাবেক এক ইউপি চেয়ারম্যানকে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ভূমি নামজারী করতে অবৈধ পন্থায় নেয়া ৬টি উত্তরাধিকারী সনদে সাবেক এ চেয়ারম্যানের সীল-স্বাক্ষর রয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন নামে এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে একটি ও সেপ্টেম্বর মাসে আরো ৫টি উত্তরাধিকারী সনদে সাবেক এ চেয়ারম্যানের সীল-স্বাক্ষর রয়েছে।
জানা যায়, সিংচাপইড় ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোর্শেদ চৌধুরী বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেননি। এ ইউনিয়নে নৌকা প্রতিক নিয়ে
বিপুল ভোটে সাহাব উদ্দিন মোহাম্মদ সাহেল চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। কিন্তু মোর্শেদ চৌধুরী বর্তমান চেয়ারম্যান না হওয়া সত্ত্বেও বেশ কয়েকটি উত্তরাধিকারী সনদে রয়েছে তার সীল-স্বাক্ষর। তার স্বাক্ষরিত এসব সনদ ইতিমধ্যেই ভূমি নামজারীকরণ কাজে ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। চলতি বছরে সিংচাপইড় গ্রামের মৃত. তমিজ উল্লাহর পুত্র হিম্মত উল্লাহর ৬ উত্তরাধিকারী, মৃত শেখ আব্দুলের পুত্র ইরফান উল্লাহর ২ উত্তরাধিকারী, মৃত শেখ কঠাই’র পুত্র ইমাম বক্স’র ২ উত্তরাধিকারী, মৃত. আব্দুর রহমানের স্ত্রী শোভা বিবির ৬ উত্তরাধিকারী, মৃত মফিজ উল্লাহর পুত্র মকরম উল্লাহর ৩ উত্তরাধিকারী, মৃত হিম্মত উল্লার পুত্র ইছাক আলীর ৫ উত্তরাধিকারীকে চেয়ারম্যান হিসেবে মোর্শেদ চৌধূরী সনদ প্রদান করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ব্যাপারে ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোর্শেদ চৌধুরী জানান, তার মেয়াদ শেষে তিনি কোন উত্তরাধিকারী সনদে স্বাক্ষর করেননি বা করার কথাও নয়। কোন চক্র তাকে হেয় করার জন্য সীল-স্বাক্ষর জাল করে সনদ সৃষ্টি করতে পারে।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাবিনা ইয়াসমিন জানান, ভূমি নামজারীর আবেদনে সিংচাপইড় ইউনিয়নের ৬টি উত্তরাধিকারী সনদে সাবেক চেয়ারম্যানের সীল-স্বাক্ষর থাকায় আবেদনগুলো তাৎক্ষণিক বাতিল করা হয়। একই সাথে আবেদনকারীদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার প্রক্রিয়া চলছে।
- সহায়ক সরকারের অধীনে সংসদ নির্বাচন দিতে বাধ্য করা হবে -মিজান
- জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের বিক্ষোভ মিছিল


