স্টাফ রিপোর্টার
কালবৈশাখী ঝড়ের তা-বে ছাতকের চরমহল্লা ও দক্ষিণ খুরমা ইউনিয়নের ৮ টি গ্রাম ল-ভ- হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬ টা ১০ মিনিটে এই ঘটনা ঘটে। ঝড়ের ঘরের নিচে চাপা পরে আনোয়ারা বেগম (৫৫) নামের এক গৃহিনী মারা গেছেন। তিনি করিদিরচর গ্রামের আব্দুল হকের স্ত্রী। আব্দুল হকসহ করিদিরচর ও অন্যান্য গ্রামের ৫০ জন আহত হয়েছে। ৮ গ্রামের প্রায় ২০০ ঘর-বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যায় উত্তর আকাশ থেকে প্রবল বেগে কালবৈশাখী ঝড় ছাতকের চরমহল্লা ইউনিয়নের করিদিরচর, টেটিরচর, সোনারুচর, কালিয়ারচর, চরমাধব, চরমহল্লা বাজার ও দক্ষিণ খুরমা ইউনিয়নের হাধনআলী ও পুরাকাটি গ্রামে আঘাত হানে। ঝড়ের তা-বে এসব গ্রামের প্রায় ২০০ কাচাঁ ঘর-বাড়ি, গাছপালা, বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সবচেয়ে বেশী ক্ষতি হয়েছে দক্ষিণ খুরমা ইউনিয়নের হাধনআলী ও পুরাকাটি গ্রামের বাসিন্দাদের। আহতদের কৈতক ও
ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অনেকেই প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা নিয়েছেন।
খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার রাত ১০ টায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ছাতক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অলিউর রহমান চৌধুরী বকুল।
চরমহল্লা ইউনিয়নের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান আবুল হাসনাত জানান, সন্ধ্যায় কালবৈশাখীর ছোবলে ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রাম ল-ভ- হয়েছে। করিদিরচরে এক মহিলা ঘর চাপা পড়ে নিহত হয়েছেন।’
ছাতক উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আবু সাদাত লাহীন বলেন,‘ সন্ধ্যার পর পর হঠাৎ করে কালবৈশাখী ঝড় দু’টি ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রামের উপর আঘাত হানে। বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চরমহল্লা ও দক্ষিণ কুরমা ইউনিয়নের দু’টি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক কাঁচা ঘর-বাড়ি ও বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙ্গে পড়েছে।’ তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে দ্রুত জেলা প্রশাসন ও প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে সহযোগিতা করার দাবি জানান।
ছাতক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অলিউর রহমান চৌধুরী বকুল বলেন, ‘বসত-বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সন্ধ্যায় কালবৈশাখী ঝড় হলেও রাত ১০ টা পর্যন্ত শত শত পরিবারের লোকজন খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছিল। ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামগুলোর মানুষ অসহায় হয়ে পড়েছেন। ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত একটি বসতঘরের নিচে চাপা পড়ে এক বৃদ্ধ মহিলা নিহত হয়েছে। তার স্বামীসহ অনেকেই আহত হয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনকে দ্রুত ত্রাণ সামগ্রী সরবরাহ করতে হবে।’
- পানি নিষ্কাশনের বিলে সই করেন নি জামালগঞ্জের উপজেলা চেয়ারম্যান
- রাজনীতিক, কৃষক ও সমাজকর্মীদের অভিমত হাওরে ফসলহানির জন্য পাউবো দায়ী ‘বাঁধের কাজ হয়েছিল ৫০ ভাগ’


