ছাতকে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৩০

ছাতক প্রতিনিধি
ছাতকে সহপাঠি দুই ছাত্রের বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই মহল্লাবাসীর মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ ব্যক্তি আহত হয়েছে। গুরুতর আহত ৫ জনকে ভর্তি করা হয়েছে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। বৃহস্পতিবার রাতে পৌরসভা শহরের বাজনামহল ও লেবারপাড়া এলাকাবাসীর মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে ৩ রাউন্ড টিয়ারসেল নিক্ষেপের পাশাপাশি ব্যাপক লাঠিচার্জ করে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের লেবারপাড়া আবাসিক এলাকার নুরুল মিয়ার পূত্র ও পেপার মিল উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র রাসেদ মিয়াসহ ৩ জনকে ছুরিকাঘাত করে বাজনামহল আবাসিক এলাকার আতাউর রহমানের পুত্র একই বিদ্যালয়ের ছাত্র রিপন মিয়া ও তার সহযোগিরা। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে উভয় মহল্লার লোকজন মাইকে ঘোষণা দিয়ে তুমুল সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। রেলওয়ে গেষ্ট হাউজ ও ভাজনামহল এলাকায় দু’দফা সংঘর্ষে লাঠি-সোটা, ইট-পাটকেল ও দেশীয় অস্ত্র     ব্যবহার করা হয়। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক লাঠিচার্জ ও ৩ রাউন্ড টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে। প্রায় ঘন্টাব্যাপী সংর্ঘষে অন্তত ৩০ ব্যক্তি আহত হয়। গুরুতর আহত কয়েছ মিয়া(৪০), তুহিন(১৭), জসিম(২৩), আবু সুফিয়ান(২২) ও আলমগীর(২৩)কে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শামীম(২৬), আনিস(১৮), জাহেদ আলী(২১), পাবেল মিয়া(৩৮), এনামুল হক(২৩), সৌরভ(২১), সাইদুল(১৯), জিয়াউল(২৬), পাবেল আহমদ(২২), জুবেদ(৩০), শামীম আহমদ(২৫), দিজু(২৪), হৃদয়(১৮), সুমন আহমদ(২৫), আব্দুর রহমান(৭), আমির হোসেন(২৩), সিদ্দিক(৩০), আব্দুল হামিদ(৩৫), রুহুল আমিন(২৩), আলমগীর(২৪), রুবেল(২৬), শাহজাহান(৩০) সহ অন্য আহতদের ছাতক উপজেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি ও চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। ছাতক থানার ওসি আতিকুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিষয়টি আপোষ নিস্পত্তির চেষ্টা চলছে বলে শুনেছি।