ছাতকে দু’দিনে ৪ জনের অপমৃত্যু

ছাতক প্রতিনিধি
ছাতকে দু’দিনে ৪টি অপমৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ৩ জনই গলায় ফাঁস লাগিয়ে ও ১ জন কীটনাশক পান করে আত্মহত্যা করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। বুধবার রাতে কীটনাশক পান করে আম্বিয়া বেগম (১৭) নামের এক যুবতী আত্মহত্যা করে। সে উপজেলার জাউয়াবাজার ইউনিয়নের ঝামক গ্রামের আব্দুল ওয়াহিদের কন্যা। রাতে পরিবারে সদস্যদের চোখ ফাঁকি দিয়ে কীটনাশক পান করে আম্বিয়া বেগম। তাকে অজ্ঞান অবস্থায় কৈতক হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে জাউয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই নুর মিয়া লাশ উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করেন। এ ঘটনায় ছাতক থানায় একটি ইউডি মামলা (নং-২০) রুজু করা হয়েছে।
বুধবার সন্ধ্যায় শহরের তাতিকোনা এলাকায় গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে বিসকা রানী দাস(১৬) নামের অপর এক যুবতী। নিজ বসত      ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করে দিয়ে তীরের সাথে গলায় ওড়না পেচিয়ে সে আত্মহত্যা করে। বিসকা রানী দাস তাতিকোনা এলাকার খুশিমন দাসের কন্যা। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করেছে।
এদিকে বুরহান উদ্দিন(২০) নামের এক যুবক আত্মহত্যা করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। বুধবার সকালে বসত ঘরের তার নিজ কক্ষে তীরের সাথে গলায় রশি পেচিয়ে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে সে। বুরহান উদ্দিন দোলারবাজার ইউনিয়নের আলমপুর গ্রামের আব্দুল মছব্বিরের পুত্র। ময়না তদন্ত ছাড়াই তার লাশ দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
অপর দিকে মঙ্গলবার রাতে শিউলী বেগম(১৮) নামের আরেক যুবতী গলায় ওড়না পেছিয়ে বাড়ির একটি গাছের ডালের সাথে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে। সে কালারুকা ইউনিয়নের খাইরগাঁও গ্রামের আফরোজ মিয়ার কন্যা। গত দু’দিনে এখানে ৪টি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।