ছাতকে বৃদ্ধাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, আটক ৪

ছাতক প্রতিনিধি
ছাতকে মেওয়া খানম (৭০) নামের এক বৃদ্ধাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রবিবার ভোরে উপজেলার জাউয়াবাজার ইউনিয়নের গনিপুর-নতুন পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মেওয়া খানম গনিপুর-নতুন পাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল মছব্বিরের স্ত্রী। খবর পেয়ে বিকেলে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ মর্গে পাঠিয়েছে। মেওয়া বেগমের মৃত্যু নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনায় ৪ জনকে আটক করেছে। যৌন লালসা চরিতার্থ করতে গিয়ে বাঁধার মুখে পড়ে লম্পট মুহিবুর বৃদ্ধাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে বলে স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ।
জানা যায়, বৃদ্ধার এক নাতনীর সাথে একই গ্রামের আকল মিয়ার পুত্র মুহিবুর রহমানের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। প্রেমের সম্পর্ককে শারীরিক সম্পর্কে পরিণত করতে ভোরে নাতনীর শয়ন কক্ষে ঢুকে পড়ে মুহিবুর। ঘটনাটি বৃদ্ধা মেওয়া বেগম দেখে ফেললে চিৎকার শুরু করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মুহিবুর লাঠি দিয়ে পিটিয়ে বৃদ্ধাকে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়। আহত বৃদ্ধাকে প্রথমে কৈতক ও পরে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে সকাল প্রায় সাড়ে ৮ টায় তার মৃত্যু হয়। পরিবারের লোকজন এমন তথ্যই দিয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
খবর পেয়ে জাউয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ   
পুলিশ পরিদর্শক নির্মল চন্দ্র দেব লাশ উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করেন।
এসময় সাহেরা বেগম (৪০), নুরু মিয়া (২০) ফাতেমা বেগম (১৯) ও কুলছুমা বেগম (১৭) কে পুলিশ আটক করেছে। পরে ছাতক-দোয়ারা থানার সার্কেল, সহকারী পুলিশ সুপার দোলন মিয়া ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আতিকুর রহমান বলেন, ‘বৃদ্ধার মাথার পেছনে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে। মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে পরিবারের লোকজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। মুহিবুর রহমান বর্তমানে পলাতক রয়েছে।’