Deprecated: Required parameter $display_count follows optional parameter $sharing_type in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/sassy-social-share/public/class-sassy-social-share-public.php on line 292

Deprecated: Required parameter $total_shares follows optional parameter $sharing_type in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/sassy-social-share/public/class-sassy-social-share-public.php on line 292
ছাতকে ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ সালিশ-বৈঠকে নিস্পত্তি – সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক

ছাতকে ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ সালিশ-বৈঠকে নিস্পত্তি

ছাতক প্রতিনিধি
ছাতকে দু’পক্ষের মধ্যে ভূমি সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধ সালিশ-বৈঠকের মাধ্যমে নিস্পত্তি হয়েছে। স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ, জনপ্রতিনিধি ও পুলিশ প্রশাসনের সমন্বয়ে কয়েক দফা সালিশ-বৈঠকের মাধ্যমে গত ১ জানুয়ারি       
জাউয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে বিরোধ নিস্পত্তি করা হয়। ফলে একটি সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পায় এলাকাবাসী।
জানা যায়, জাউয়া ইউনিয়নের হাবিদপুর গ্রামের মৃত. আজর আলীর পুত্র মছদ্দর আলী এবং হাবিদপুর গ্রামের মৃত. উমেদ উল্লার পুত্র আশিক মিয়া ও কৈতক-দৌলতপুর গ্রামের মনফর আলীর পুত্র কালাশা’র মধ্যে ১একর ১৪ শতক বোরো জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। মছদ্দর আলী গংরা কৈতক মৌজার ৮৮০ নং এসএ দাগের ১একর ১৪ শতক বোরো জমি ৬৯৬৫ দলিল মূলে খরিদা সূত্রে মালিক হয়ে ১৯৬৬ইং সাল থেকে ভোগ দখল করে আসছেন। ২০১২ইং সালে ৪৪৯৮ দলিল সৃজন করে আশিক মিয়া ও কালাশা উক্ত ভূমির মালিকানা দাবি করলে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। ভূমির মালিকানা নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে আদালতে মামলা-মোকদ্দমা দায়ের করা হয়। মছদ্দর আলীর পুত্র আঞ্জব আলীর দায়েরী বিবিধ মোকদ্দমা (নং-৫৫/২০১৩) বিজ্ঞ আদালত ২০১৩ সালের ২১ জুলাই আঞ্জব আলীর অনুকূলে রায় প্রদান করে প্রতিপক্ষ আশিক মিয়া ও কালাশাকে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেন। পরে প্রতিপক্ষগণ সুনামগঞ্জ জেলা জজ আদালতে ফৌজদারী রিভিশন মোকদ্দমা(নং-৪২/২০১৩) দায়ের করলে বিজ্ঞ জজ ২০১৬ সালের ২ মার্চ পূর্বের আদেশ বহাল রেখে রায় প্রদান করেন। এ মর্মে আদালতের আদেশ অনুযায়ী ২০১৫ সালের ২৪ মে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মুচলেখা নামা দাখিল করেন প্রতিপক্ষরা।
পরবর্তিতে মুচলেকার বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষ জেলা জজ আদালতে আপিল করলে ২০১৭ সালের ১২ মার্চ বিজ্ঞ জজ আপিল নামঞ্জুর করে পূর্বের রায় বহাল রাখেন। সম্প্রতি আবারো প্রতিপক্ষের লোকজন বিরোধ নিস্পত্তিকৃত ভূমিতে জোর দখল নেয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, জনপ্রতিনিধি ও পুলিশ প্রশাসনের লোক বিষয়টি পুনঃ সালিশ-বৈঠকে নিস্পত্তির উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
অবশেষে জাউয়াবাজার ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে কয়েক দফা সালিশ-বৈঠকের পর উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে মছদ্দর আলী গংদের পক্ষে জমির মালিকানা বুঝিয়ে দেয়া হয়।
পীর আরশ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সালিশ-বৈঠকে সালিশকারী হিসেবে ছাতক থানার ওসি আতিকুর রহমান, জাউয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইন্সপেক্টর নির্মল চন্দ্র দেব, ইউপি চেয়ারম্যান মাস্টার আওলাদ হোসেন, সাবেক চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা কদর মিয়া, স্থানীয় রেজা মিয়া তালুকদার, রুহুল আমিন তালুকদার, সামছুল ইসলাম, পীর তকদ্দুছ আলী, আদরিছ আলী মেম্বার, মাও. ফজলুর রহমান, মাস্টার দেওয়ান আবুল কালাম, ফজলুল করিম, ইউপি সদস্য আব্দুর রহিম, আব্দুল হক ও আঙ্গুর মিয়া উপস্থিত ছিলেন।