ছাতকে মদের দোকান গুড়িয়ে দিয়েছে জনতা

ছাতক প্রতিনিধি
ছাতকের রেলওয়ে ভূমিতে অবৈধভাবে নির্মিত বাংলা মদের দোকান গুড়িয়ে দিয়েছে উত্তেজিত জনতা। সোমবার বিকেলে স্থানীয় শ্মশানঘাট সংলগ্ন রেলওয়ের ভূমিতে নির্মিতব্য টিনসেডের ঘরটি গুড়িয়ে দেয়া হয়।
দীর্ঘদিন আগে এখানে বন্ধ হয়ে পড়া মদের পাট্টা বহিরাগত জনৈক ব্যক্তি পুনরায় খোলার চেষ্টায় সরকারী চালের গোদামের সামনে এবং স্থানীয় শ্মশানঘাট সংলগ্ন রেলওয়ের ভূমিতে কোন অনুমতি ছাড়াই একটি টিনসেডের দালান তৈরী করে। এলাকার কতিপয় প্রভাবশালী        ব্যক্তির সহায়তা নিয়ে পুনরায় মদের পাট্টা খোলার বিষয়ে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে বিরাজ করছিল উত্তেজনা। ছাতক-ভোলাগঞ্জ রোপওয়ের আনলোডিং বাঙ্কার, সরকারী চালের গোদাম ও শ্মশানঘট সংলগ্ন জনবহুল এলাকায় বাংলা মদ বিক্রির বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় স্থানীয় লোকজন।
জানা যায়, দীর্ঘ প্রায় দেড়যুগ ধরে এখানে সরকারী লাইসেন্স নিয়ে বাংলা মদের ব্যবসা করে আসছিলেন তাঁতিকোনা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা স্বরাজ কুমার দাস। তৎকালীন সময়ে এখানের মদের পাট্টা বন্ধে জণপ্রতিনিধি ও সচেতন মহল একাধিকবার উদ্যোগ গ্রহণ করে। এক পর্যায়ে তৎকালীন এমপি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন ও স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাপস চৌধুরী তালা ঝুলিয়ে মদের পাট্ট বন্ধ করে দেন। কিন্তু আইনের ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে এসে এখানে আবারো পাট্টা চালু করা হয়। অবশেষে প্রায় ৪ বছর আগে বিভিন্ন জটিলতার কারণে স্বাভাবিকভাবেই এখানের মদের পাট্ট বন্ধ হয়ে গেলে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
মদের দোকান গুড়িয়ে দেয়ার সময় ওয়ার্ড কাউন্সিলর জসিম উদ্দিন সুমেন ও আছাব মিয়া ছাড়াও বাগবাড়ির বিশিষ্ট মুরব্বি মনিরুল ইসলাম, সামছুদ্দিন, হাজি বাদল মিয়া, হাজি আলা উদ্দিন, খয়ের উদ্দিন, লুৎফুর রহমান, রাজু আহমদ, ইমাদ উদ্দিন, আব্দুল মোমিন, রেদওয়ান আহমদ, রাজু আহমদ, খোকন মিয়া, সালেক আহমদ, নোমান, ইমন, আদনানসহ শতাধিক লোকজন উপস্থিত ছিলেন।