ছাতকে রেলওয়ে’র ভূমি উদ্ধারের উদ্যোগ

ছাতক প্রতিনিধি
ছাতক দখলদার মুক্ত করতে রেলওয়ের ভূমিতে লাল পতাকা টানিয়ে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রেলওয়ের ভূমির সীমানা নির্ধারণ করে খুঁটিতে লাল পতাকা টানিয়ে দেয়া হয়েছে। শিঘ্রই মার্কিং করে রেলওয়ের ভুমি থেকে দখলদারদের উচ্ছেদ করার ঘোষণা দেন রেলওয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।
রেলওয়ে সুত্র জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে রেলওয়ের কয়েক কোটি টাকা মুল্যের প্রায় ৯৪ একর সরকারী মুল্যমান ভুমি দখলদারদের নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। দখলদাররা এসব ভুমি দখল করে নির্মাণ করেছে একাধিক স্থায়ী-অস্থায়ী স্থাপনা। এর মধ্যে তৈরী করা হয়েছে বসবাসের ঘর, দোকান-কোঠাসহ একাধিক অবৈধ স্থাপনা। লিজের নামে রেলওয়ের বিশাল ভূমি দখল করে ভোগ-দখল করে যাচ্ছে একটি চক্র। রেলওয়ের ভূমি অবৈধ পন্থায় মালিক সেজে বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে দিয়েছে সাব       
 লিজ। কিছু ভূমি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে লিজ নেয়া হলেও সিলেট ছাতক রেলওয়ে পর্যন্ত লাইনের উভয় পাশে রয়েছে অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা। এখানের বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের দখলে থাকা রেলওয়ে মালিকানাধীন সরকারি এসব ভূমি দখলমুক্ত করার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু করেছেন বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার রেলওয়ে ঢাকা ডিভিশনাল ষ্টেইট কর্মকর্তা এসএম রেজাউল করিম রেলওয়ে ভুমি পরিদর্শনকালে উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান, ছাতক রেলওয়ে অধীনে তাদের ৯৪ একর সরকারি ভূমি রয়েছে। এসব ভূমি দখলমুক্ত করতে শিঘ্রই মাইকিং করে পরবর্তী কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হবে।
ভূমির সীমানা নির্ধারণের সময় রেলওয়ে ঢাকা ডিভিশনাল স্টেইট রেভিনিউ কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, ছাতক রেলওয়ে আইডবিউ আশিকুর রহমান, ছাতক ভুমি অফিসের তহশিলদার রঞ্জন তালুকদার, কাননগো ইকবাল মাহমুদ, রেলওয়ে জিআরপি পুলিশের এএসআই মাহমুদুল হাসান, ছাতক ভুমি অফিসের সার্ভেয়ার মনিরুল ইসলাম, চেইনম্যান সমরাজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।