ছাতক প্রতিনিধি
বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারি শিক্ষক সমিতি (এস-১২০৬৮) উপজেলা শাখার সম্মেলন সফল করার লক্ষ্যে উপজেলা শিক্ষক সমিতি মিলনায়তনে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা সহকারি শিক্ষক সমিতির সদ্য সাবেক সভাপতি প্রণব দাস মিটুর সভাপতিত্বে ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সমিতির কেন্দ্রীয় সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক দুলন কুমার তরফদার।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সমিতির সাবেক সহ সভাপতি অধীর চন্দ্র দাস, নুরুল আমিন, মোহাম্মদ শাহনুর, শিক্ষক নেতা মাওলানা ইমাদ উদ্দিন মানিক, পঙ্কজ দত্ত, জীবন চন্দ, নিজাম উদ্দিন।
বক্তব্য রাখেন শিক্ষক নেতা খালেদুর রহমান মানিক, লোকমান হোসেন নোমান, আতিক উল্লাহ, পিংকু দাস, আবু সালেহ নোমান, সাইদুল আলম ডালিম, দ্বিপ্রেশ চন্দ, লিয়াকত আলী, রফিকুল হক, সঞ্জয় কর, মিঠুন, আবু তাহের, হোসাইন আহমদ সুমন, ছমির আলী, বাবুল মিয়া, সিরাজ উদ্দিন, মোসাদ্দিক আহমদ, হেমেন্দ্র দাস কানু, গীতা রাণী আচার্য, কবির আহমদ প্রমুখ।
এসময় শিক্ষক নেতা দুলাল হালদার, তাজ উদ্দিন আহমেদ, মাসুম বিল্লাহ, স্মৃতি রাণী দাস, ইতি বসাক, ফাতেমা বেগম, সায়েমা আক্তার, হারান দাস, মোস্তাফিজুর রহমান, কবির আহমদ, প্রণব চক্রবর্তী, আব্দুল লতিফ, নিশি কান্ত, আবু সাঈদ, কয়েছ আহমদ, প্রসেনজিৎ বিজয় দাস, মফিজুর রহমান, শাহবাজ মিয়া, বিশ্বজিৎ দীপায়ন, খালেদ আল মামুন, সোলেমান হক, রাজিব দাস, শাওন চক্রবর্তী, মঈন উদ্দিন, পিন্টু ঋষি, মাহমুদ আলী, সৌমিক আচার্য, আব্দুল গফফার, শিবব্রত চক্রবর্তীসহ শিক্ষক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন, মিছবা উদ্দিন ও গীতা পাঠ করেন সৌমিক আচার্য।
শোকের মাস আগস্টে শাহাদত বরণকারী জতির জনক ও পরিবারবর্গসহ অন্যন্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দাঁড়িয়ে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
সভায় বক্তারা বলেন, বিলম্বিত হলেও বর্তমানে উপজেলার সকল সহকারি শিক্ষক একই পতাকার তলে সমবেত হতে পেরেছেন। শিক্ষকদের সকল ন্যায্য অধিকার আদায়ে সহকারি শিক্ষক সমিতি ব্যানারে সকল সহকারী শিক্ষক এখন ঐক্যবদ্ধ। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই উপজেলা সহকারি শিক্ষক সমিতির সর্বজন স্বীকৃত ও গৃহীত একটি কমিটি গঠনের লক্ষ্যে সমিতির নেতৃবৃন্দ কাজ চলমান রেখেছেন। এতে সকল সহকারি শিক্ষকগণের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন বক্তারা।
এদিকে উপজেলা প্রধান শিক্ষক সমিতির ব্যানারে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন প্রসঙ্গে বক্তারা বলেন, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সম্মান প্রদান করা সকল শিক্ষকদের নৈতিক দায়িত্ব। এখানে প্রধান এবং সহকারি শব্দটি উল্লেখ করে বিভাজন সৃষ্টি করা সমুচিৎ হবে না বলে সহকারী শিক্ষক নেতৃবৃন্দ মনে করেন। অবসরপ্রাপ্ত প্রধান এবং সহকারি শিক্ষকদের একই ব্যানারে বিদায় সংবর্ধনা দেয়ার দাবি তুলেছেন সাধারন শিক্ষকবৃন্দ।


