ছাতকে শিক্ষার্থী পেটানোর অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ

ছাতক প্রতিনিধি
ছাতকের গোবিন্দগঞ্জ মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের পেটানোর ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। সরজমিন তদন্ত শেষে ঘটনার সত্যতা পেয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহনের সুপারিশ করে সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবরে প্রতিবেদন প্রেরন করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মানিক চন্দ্র দাস।
রোববার দুপুরে গোবিন্দগঞ্জ মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আতিকুর রহমান অফিস কক্ষে অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিয়ে খোশ গল্প করার সময় বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা শ্রেনীকক্ষ থেকে বেরিয়ে এসে খেলাধুলা করছিল। শিক্ষার্থীদের কোলাহলে প্রধান উত্তেজিত হয়ে প্রধান শিক্ষক লাঠি হাতে শিক্ষার্থীদের প্রতি তেড়ে আসেন এবং সবাইকে একটি রুমের ভেতরে নিয়ে দরজা বন্ধ করে বেপরোয়াভাবে বেত্রাঘাত করতে থাকেন। এসময় ছাত্রছাত্রীদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এসে জালিম প্রধান শিক্ষক আতিকুর রহমানের কবল থেকে শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করেন।  এসময় অবস্থার বেগতিক দেখে অভিযুক্ত শিক্ষক আতিকুর রহমান ঘটনাস্থল থেকে পলায়ন করেন। বেপরোয়া প্রহারে ওইদিন ২১ জন শিক্ষার্থী আহত হয়। এ ঘটনায় এলাকায় সুনামগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের নির্দেশে সোমবার সরজমিনে তদন্ত করেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মানিক চন্দ্র দাস। তদন্তকালে ছাত্রছাত্রীদের অভিবাবকরা অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের লাঠিপেটা করার অভযুগ তুলে এ শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ২৪ ঘন্টার মধ্যে বিদ্যালয় থেকে অপসারনের দাবী জানান। তদন্ত কর্মকর্তা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মানিক চন্দ্রদাস জানান, ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করে জেলা প্রশাসক ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবরে প্রতিবেন প্ররন করা হয়েছে।