আলী আহমদ, জগন্নাথপুর
জগন্নাথপুর উপজেলার পাটলী ইউনিয়নের রসুলগঞ্জ-লামা টুকেরবাজার সড়কের ডাউকা সেতুর সংযোগ সড়কের একাংশ ধসে যাওয়ার দুই বছর পর অবশেষে কাজ শুরু হয়েছে। তবে কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এলাকাবাসির অভিযোগ নি¤œমানের কাজ হচ্ছে সংযোগ সড়কে।
এলাকাবাসী জানান, উপজেলার রসুলগঞ্জ-লামা টুকের বাজার সড়কের রসুলগঞ্জ বাজার নিকটবর্তী ডাউকা নদীর ওপর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অর্থায়নে ২০০১ সালে প্রায় ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে ডাউকা সেতু নির্মাণ করা হয়। ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে ওই সেতুর সংযোগ সড়কের একাংশ ধসে পড়লে তৎসময় স্থানীয় এলাকাবাসীর দাবীর প্রেক্ষিতে জগন্নাথপুরের এলজিইডির উদ্যোগে নামমাত্র কিছু সংস্কার কাজ করা হলেও ফের ওই স্থান ভাঙন দেখা দেয়। গত বন্যায় আরো ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয় সংযোগ সড়কটি। যে কারণে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করছিল।
সম্প্রতি ক্ষতিগ্রস্ত স্থান সংস্কারের জন্য ২১ লাখ টাকার দরপত্র আহবান করা হয়। কাজটি পান ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ভাই ভাই মেশিনারী কনস্ট্র্ক্টাশন। গত সপ্তাহে মাটি ভরাটের কাজ শুরু করে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। তবে কাজের মান নিয়ে শুরুত্ইে অনিয়মের অভিযোগ তুলেন স্থানীয়রা।
রসুলগঞ্জ বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইসলাম উদ্দিন জসিম বলেন, প্রায় দুই বছর আগে সেতুর সংযোগ সড়ক ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গত সপ্তাহে ক্ষতিগ্রস্থ স্থানে সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। লাখ দেড় লাখ টাকার পরিমাণের দায়সারা ভাবে সামান্য মাটি ফেলা হয়েছে। ফলে বৃষ্টির পানিতেই ধসে পড়বে এই রাস্তা। এতে কোনো ধরনের উপকার আসবে না জনসাধারণের।
স্থানীয় পাটলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল হক বলেন, সেতুর সংযোগ সড়কে নি¤œমানের কাজ হচ্ছে। এবিষয়টি আমি এলজিইডি কর্মকর্তা কে জানিয়েছি। তবে ঠিকাধারী প্রতিষ্ঠানের পরিচালক লিটন মিয়া অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
তিনি বলেন, প্রায় ১৫/২০ দিন পূর্বে কাজ শুরু করেছি। নিয়ম অনুয়ায়ী কাজ করা হচ্ছে। ২০/২৫ দিনের মধ্যে কাজ শেষ হবে।
জগন্নাথপুরের উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) গোলাম সারোয়ার বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে লোকজন পাঠিয়েছি যাচাই বাছাইয়ের জন্য। এখনও কাজে অনিয়মে অভিযোগ পাইনি। তারপরও বিষয়টি আরো গুরুত্ব সহকারে দেখছি আমরা।
- পাইলগাঁও বিএন উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপনে আইনি বাধা অপসারণ
- ‘মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করেছেন স্যার ফজলে হাসান আবেদ’


