জগন্নাথপুর কাতিয়া-বেগমপুর সড়ক- শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষে যান চলাচল বন্ধ

জগন্নাথপুর অফিস
জগন্নাথপুরের শিবগঞ্জ-কাতিয়া-বেগমপুর সড়কের যাত্রী উঠানো নিয়ে অটোরিকশা-সিএনজি শ্রমিকদের মধ্যে মারামারির ঘটনায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার পর্যন্ত কাতিয়া থেকে বেগম আবার বেগমপুর থেকে কাতিয়া ষ্ট্যান্ডে কোন অটো রিকশা কিংবা সিএনজি চলাচল করেনি। শ্রমিকদের দ্বন্দ্বের কারণে যাত্রীরা দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে।
জানা যায়, ওই সড়কের কাতিয়া ষ্ট্যান্ড থেকে বৃহস্পতিবার সিএনজি চালক জাকির হোসেন যাত্রী নিয়ে বেগমপুর যান। ফেরার পথে বেলা দুইটার দিকে     যাত্রী উঠানো নিয়ে বেগমপুর স্ট্যান্ডের সিএনজি চালক আব্দুর নুরের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে আব্দুন নুর তাদের অফিসে নিয়ে জাকিরকে মারধর করে। এতে সে গুরুতর আহত হলে তাকে সিলেট ওসমানি হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। ওই দিন সন্ধ্যায় বেগমপুর থেকে আব্দুর নুর যাত্রী নিয়ে কাতিয়া ষ্ট্যান্ড এলে কাতিয়া ষ্ট্যান্ডের শ্রমিকরা তাকে মারধর করে তার সিএনজি গাড়ি আটক করে তাকে ছেড়ে দেয়। আহত আব্দুর নুরকে সিলেট ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ খবর পেয়ে বেগমপুর ষ্ট্যান্ডের শ্রমিকরা রাত সাড়ে ১০ টার দিকে জগন্নাথপুরের কাতিয়া ষ্ট্যান্ডের দুইটি সিএনজি আটক করে।
পাল্টাপাল্টি মারামারি ও সিএনজি আটকের ঘটনায় দু’ ষ্ট্যান্ডের শ্রমিকদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়।  
এ ব্যাপারে জগন্নাথপুরের শিবগঞ্জ-কাতিয়া বেগমপুর সড়কের অটোরিকশা-সিএনজি-লেগুনা শ্রমিক সমিতির সভাপতি আব্দুল মুকিত জানান, অন্যায়ভাবে আমাদের ষ্ট্যান্ডের শ্রমিককে মারধর করে দুইটি সিএনজি গাড়ি আটক করেছে তারা। আমাদের শ্রমিকরা ১টি সিএনজি আটক করেছে। এ ঘটনায় বৃস্পতিবার রাত থেকে বেগমপুর কোন যানবাহন চলাচল করেনি। বেগমপুর থেকেও কোন গাড়ি আসেনি। শ্রমিকদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
অভিযোগ অস্বীকার করে বেগমপুর ষ্ট্যান্ডের অকোরিকশা-সিএনজি শ্রমিক সমিতির সভাপতি ছুফি মিয়া জানান, ‘আমরা কোন গাড়ি আটক করেননি। একজন শ্রমিকের সঙ্গে আমাদের ষ্ট্যান্ডের এক শ্রমিকের ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছে। ওই শ্রমিক নিজেই তার গাড়ি সড়কে ফেলে গেছেন।’ তিনি অভিযোগ করেন জগন্নাথপুরে যাত্রী নিয়ে গেলে আমাদের চালকদের কে তারা লাঞ্ছিত করেন।