জামাইপাড়া সড়কের পাশে আবর্জনার স্তূপ

পুলক রাজ
পৌর শহরের অন্যতম ব্যস্ততম এলাকা জামাইপাড়া সড়কের পাশে আবর্জনার স্তূপ তৈরি হয়েছে। পুরাতন বাসস্টেশন থেকে সড়কে ঢুকলেই সড়কের বাম পাশে চোখে পড়বে আবর্জনার স্তূপ। নিয়মিত পরিষ্কার না করায় এসব স্তূপ থেকে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। ফলে এলাকাবাসী ও পথচারিরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠছেন।
এলাকাবাসী জানান, প্রতিদিন সকাল হলেই বাসস্ট্যান্ডের গাড়ির ড্রাইভার, হ্যাল্পারসহ পথচারীরা প্র¯্রাব করে। পুরাতন বাসস্ট্যান্ড’র হোটেল রেস্টুরেন্ট, বিভিন্ন দোকানঘর থেকে দিনরাত যেকোন সময় বর্জ্য ফেলে যায়। এতে তৈরি হয়েছে ময়লার স্তূপ। ময়লার ভাগারে প্লাস্টিকের পানির বোতল, ওয়ানটাইম থালা, গ্লাস, পলিথিন, মরা ইঁদুর, বিড়ালসহ বিভিন্ন ধরনের আবর্জনা ফেলা হয়। এসব পচে গিয়ে দুর্গন্ধ ছড়ায়।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. সৈয়দ নূর বলেন, জানি না কবে যে পৌর কর্তৃপক্ষ এই আবর্জনা সরিয়ে নেবে। এই দিকে গেলেই পচা গন্ধে বমি বমি ভাব করে। মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ময়লা-আবর্জনা ফেলছে। এতে চলাচলকারী পথচারি ও এলাকাবাসি দুর্ভোগ পোঁহাতে হচ্ছে।
মো. বদর উদ্দিন বলেন, করোনা ভাইরাসের আক্রান্ত প্রতিদিন বাড়ছে, ডেঙ্গুও বাড়ছে। এরকম আবর্জনা একটা এলাকায় থাকলে তো মানুষ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হবে।
শেরুয়ানুল হক চৌধুরী বলেন, জামাইপাড়ার সড়ক খুব চমৎকার বড়সড়ো। দেখতেও ভালো লাগে। কিন্তু এমন একটা জায়গায় সব ধরনের বর্জ্য ফেলা হয়, আমার মতো আরো অনেক বাসাবাড়ি থেকে দেখা যায়। সকাল থেকে মানুষ প্র¯্রাব করে লাইন ধরে, প্লাস্টিকের বোতল, রেস্টুরেন্টের বর্জ্যসহ নানান জায়গা থেকে ময়লা আবর্জনা ফেলে রেখে যায়।
তিনি বলেন, ময়লা আবর্জনার গন্ধে আমরা অতিষ্ঠ। বর্জ্য নিয়ে দুর্ভোগের শেষ নেই। এতে আমাদের জামাইপাড়া এলাকার পরিবেশ মারাত্মক দূষিত হচ্ছে। সাবেক মেয়র আয়ূব বখত্ব জগলুল থাকতে এই সড়ক দিয়ে প্রায় সময় আমরা এক সাথে হাঁটতাম। এখন বর্জ্য ফেলে দুর্গন্ধে পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। প্রতিবেশীর মধ্য দিয়ে অনেকেই করোনায় আক্রান্ত। পরিবেশ দূষণ থাকলে তো করোনাসহ নানা রোগের সংক্রমণ বাড়বে। আমার অনুরোধ পৌর কর্তৃপক্ষ আবর্জনা মুক্ত করার যেন ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর গোলাম সাবেরীন সাবু বলেন, জামাইপাড়া সড়কের পাশে যে ময়লার ভাগাড় রয়েছে সেটা মালিকানা জায়গা। নিয়ম হলো যারা মালিক আছেন, তারা তা দেখে শুনে রাখবেন। আমার ওয়ার্ডের প্রতিটি এলাকায় বাঁশি বাজিয়ে ময়লা আবর্জনার বর্জ্য নিয়ে যায় পৌরসভার ভ্যান গাড়ি। তারপরও আমি দেখব বিষয়টা।