জামালগঞ্জে জমে উঠেছে পশুর হাট

জামালগঞ্জ অফিস
ঈদুল আযহা আর মাত্র ছয় দিন। মানুষের পদচারণায় জমে উঠেছে জামালগঞ্জের পশুর হাটগুলোগুলো। কোরবানির পশু কিনতে চলছে ক্রেতা বিক্রেতার দর কষাকষি। তবে দাম চড়া বলেছেন ক্রেতারা। আর বিক্রেতারা বলছেন, প্রত্যশিত দাম না পাওয়ায় পশু বিক্রি করতে পারছেন না।
রবিবার উপজেলা ভীমখালী হাট ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র। পশুর হাটে গরু খামারিদের পাশাপাশি ক্রেতা উপস্থিতিতে হাট কানায় কানায় পূর্ণ। গরু কিনতে চলছে দর কষাকষি। দাম সাধ্যের মধ্যে হলে কুরবানির গরুটি কিনে নিয়ে বাড়ি যাচ্ছেন ক্রেতারা।
ফেনারবাকঁ ইউনিয়নের নাজিমনগর গ্রামের ক্রেতা সাইদুল ইসলাম বলেন, গরুর অভাব নেই। তবে দাম অনেক বেশী। কেজি ৬০০ টাকা ধরে মাংস অনুপাতে যে গরুর দাম ৮০হাজার টাকা হওয়ার কথা, সেই গরুর দাম হাকাচ্ছে এক লাখ টাকা। যে চড়া দাম দেখা যাচ্ছে আজকে মনে হচ্ছে কিনতে পারব না।
ফখরুল ইসলাম বলেন, ভেবেছিলাম দুপুরের পর দাম কিছুটা সাধ্যের মধ্যে আসবে। কিন্তু এখনো কেনাবেচা পুরোদমে শুরু হয়নি। পাইকাররা গরু ছাড়ছে না। বাজার দেখছি, ঘুরছি পছন্দ হলে কিনব। না হলে কাল অন্য বাজারে যাব।
পশুর হাটে গরু কিনতে আসা নূর মিয়া বলেন, গরু পছন্দ হয়েছে তাই কিনলাম। গরুর বেপারী গরুর দাম চেয়েছিল দেড় লাখের বেশি। ১ লক্ষ ৫ হাজার দিয়ে কিনলাম। হাসিল (খাজনা) নিয়ে ১ লাখ ১০ হাজার পড়ে যাবে।
ধর্মপাশার খামারি আবুল কাশেম জানান, কসাইর মাংসের হিসেবে কোরবানির পশু বিক্রি করা যায় না। তাছাড়া গরুর দাম অত বেশী না। আমাদের গরু প্রতি ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। বড় হোক ছোট হোক গরু ভাড়া একই।
এ দিকে গরুর পাশাপাশি ছাগলও কেনাবেচা হচ্ছে। তবে গরুর মতো ছাগলের দামও চড়া। ছোট আকারের ছাগল বিক্রি হচ্ছে ৭ থেকে ৮ হাজার টাকায়।