জামালগঞ্জ অফিস
জামালগঞ্জের শিক্ষকের দ্বারা কোমলমতি দুই শিক্ষার্থীকে পেটানোর ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে শিক্ষা বিভাগ। সেই সাথে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্যরাও লিখিত ভাবে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিদ্যালয় থেকে অপসারণ চেয়ে লিখিত পত্র দিয়েছেন। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাও তদন্ত প্রতিবেদনের কাজ শেষ করেছেন।
আজ বৃহস্পতিবার জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে প্রতিবেদন দাখিল করবেন বলে জানিয়েছেন। অবশ্য অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক পরিস্থিতি আঁচ করতে পেরে তিনি দুই দিনের ছুটিও নিয়েছেন। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির ৭ সদস্যদের আবেদনে
উল্লেখ করেন, ঘটনার পরে প্রধান শিক্ষকের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন ও অনুতপ্ত হয়েছেন।
নয়াহালট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আ. গাফফার বলেন, ‘আমি পারিবারিক কাজে দুই দিনের ছুটি নিয়েছি।’
উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও ক্লাষ্টারের দায়িত্বরত কর্মকর্তা মীর আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন,নয়াহালট প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দুই দিনের ছুটি নিয়েছে। এলাকার পরিস্থিতি দিকে লক্ষ করে প্রাযোজনে উনার ছুটি আরো বাড়িয়ে দেওয়া হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নূরুল আলম ভুইয়া বলেন, ‘ছাত্র পেটানোর ঘটনায় আমি বিদ্যালয়ে গিয়ে পরিদর্শন করেছি। ছাত্রছাত্রী শিক্ষক সহ ম্যানেজিং কমিটির সাথে কথা বলেছি। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্ত প্রতিবেদনের কাজ শেষের দিকে। আজ বৃহস্পতিবার জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসলিমা আহমেদ পলি বলেন, ‘নয়াহালট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরকে মারধরের ঘটনায় অভিযোগের কপিটি তদন্ত করার জন্য উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উল্লেখ্য, জামালগঞ্জের নয়াহালট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল গফ্ফারের নির্যাতনে ৫ম শ্রেণীর দুই শিক্ষার্থী আবু তাইয়্যেব প্রান্ত ও আবু জাফর মারাত্মকভাবে আহত হয়েছে।
- ছাতকে আ.লীগ নেতা সরকুমের দাফন সম্পন্ন
- পুলিশ কনস্টেবলদের প্রশিক্ষণে ডিআইজি- সেবার মনোভাব নিয়ে পুলিশে কাজ করুন


