সু.খবর ডেস্ক
গুপ্তহত্যা নিয়ে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন, এসব ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী ও অর্থ জোগানদাতা বিএনপি-জামায়াত। আর জামায়াত ও বিএনপির ছাত্র সংগঠন এর সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। এসব ঘটনায় যারাই গ্রেপ্তার হচ্ছে, দেখা যাচ্ছে, তারা একসময় জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল। শনিবার দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর ১৪ দলের সমন্বয় কমিটির সভায় কামরুল এসব কথা বলেন। রবিবার বেলা তিনটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত ঢাকাসহ সারা দেশে গুপ্তহত্যার প্রতিবাদে ১৪ দল আহূত মানববন্ধন কর্মসূচি সফল করতে এই সভা করা হয়।
কামরুল ইসলাম বলেন, কারা কারা এর পেছনে প্রত্যক্ষ মদদদাতা, কোন কোন নেতা অর্থের জোগানদাতা—এই তথ্য গোয়েন্দা সংস্থার কাছে আছে। শিগগিরই তা উদ্ঘাটন হবে। তিনি আরও বলেন, আগুন-সন্ত্রাসের সময় তাদের প্রতিক্রিয়া ছিল না। বলা হয়েছিল, গণতন্ত্রের অনুপস্থিতির কারণে আগুন-সন্ত্রাস শুরু হয়েছে। এখনো যখন গুপ্তহত্যা চলছে, তখনই বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুল ও মওদুদ সাহেব বলছেন, গণতন্ত্র অনুপস্থিত বলে বাংলাদেশে এই অবস্থা চলছে। কিন্তু গুপ্তহত্যার ব্যাপারে তাদের কোনো প্রতিক্রিয়া নেই, নিন্দা নেই। আগুন-সন্ত্রাসের সময় যেমন প্রতিক্রিয়া ছিল না, তেমনি গুপ্তহত্যা নিয়েও তাদের প্রতিক্রিয়া নেই।
কামরুল বলেন, ‘রামকৃষ্ণ মিশনের প্রধানের ওপর যখন একটা হুমকি এসেছে, তখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। অর্থাৎ, হামলাকারীরা, গুপ্তহত্যাকারীরা এটাই চাইছিল। ভারত আমাদের বন্ধুরাষ্ট্র। তারা যেন মনে করে, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় নিরাপদ না।’
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদের সভাপতিত্বে মহানগর ১৪-দলীয় জোটের সভায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিপু মনি, আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় নেতা এস এম কামাল হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহাদত হোসেন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (ইনু) সহসভাপতি মীর হোসাইন আখতার, ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য হাজেরা সুলতানা প্রমুখ বক্তব্য দেন।


