স্টাফ রিপোর্টার
হাওরে ফসলডুবির ঘটনায় বিক্ষুব্ধ কৃষকরা পথে নেমেছেন। নানা সংগঠনের ব্যানারে হাজার হাজার কৃষক দাবি আদায়ের আন্দোলনে নেমেছেন। শুক্রবার জেলাজুড়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সভা করেছেন কৃষকরা। এসব সমাবেশে বক্তারা বলেছেন,‘পাউবো’র দুর্নীতিবাজ ঠিকাদার ও পিআইসি’র সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তার, বিচার বিভাগীয় তদন্ত, যেহেতু বাঁধের কাজ হয়নি ঠিকাদারদের বিল না দেওয়া, জরুরি ভিত্তিতে খোলা বাজারে ১০ টাকা কেজি’র চাল বিতরণ শুরু করা, ইজারাকৃত হাটবাজারের ইজারা বাতিল, ইজারাকৃত জলমহালের ইজারা বাতিল, সহজ শর্তে কৃষি ঋণ প্রদান, গ্রামে গ্রামে রেশনিং প্রথা চালু, সকল এনজিওদের একবছর কিস্তি আদায় বন্ধ রাখা আশু প্রয়োজন। পৃথক পৃথক সমাবেশ থেকে এসব দাবি জানানো হয়।
জামালগঞ্জের লালপুরে বাজারে বিক্ষুব্ধ কৃষকদের উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন- কৃষক নেতা আলাউর রহমান। বক্তব্য রাখেন- খেতমজুর সমিতির কেন্দ্রীয় নেতা অর্ণব সরকার, জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি চিত্তরঞ্জন তালুকদার, রুহুল আমিন, কৃষকনেতা অজিত লাল রায়, স্থানীয় বাসিন্দা কামাল হোসেন, দেলোয়ার হোসেন, আলী আহমদ, মর্জিনা বেগম, আশরাফ হোসেন, সাবেক ছাত্রনেতা জামিল আহমদ জুয়েল ও শাহজালাল সুমন, সুনামগঞ্জ হাওর উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি সালেহীন চৌধুরী শুভ প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, সুনামগঞ্জে হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধের কাজ নির্ধারিত সময়ে না হওয়ায় এবং কাজে ব্যাপক অনিময়-দুর্নীতি হওয়ার কারণে বাঁধ ভেঙে জেলার ৯০ ভাগ বোরো ধান তলিয়ে গেছে। জেলার লাখ লাখ ফসলহারা কৃষক এখন দিশেহারা। ফসলহারা কৃষকদের বাঁচাতে সুনামগঞ্জকে দুর্গত এলাকা ঘোষণা করতে হবে। একই সঙ্গে আগামি এক বছর সুনামগঞ্জে খোলাবাজারে চাল বিক্রি এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে ভিজিডি ও ভিজিএফ কার্ড বিতরণ করাসহ তাদের সকল কৃষিঋণ মওকুফ করতে হবে।’
সুনামগঞ্জে ভারী বৃৃষ্টিপাত, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ফসলরক্ষা বাঁধ ভেঙে জেলার ১১ উপজেলার হাওরের প্রায় দুই লাখ হেক্টর ফসলি জমি তলিয়ে গেছে বলে সমাবেশে দাবি করা হয়েছে।
এদিকে, ফসল রক্ষা বাঁধের কাজের সাথে জড়িত পাউবো, ঠিকাদার ও পিআইসির দুর্নীতিরবাজদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও ধর্মপাশা উপজেলাকে দুর্গত ঘোষণার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন মুক্তিযোদ্ধারা। শুক্রবার সকাল ১১ টায় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ। ঘণ্টাব্যাপি মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। এতে বক্তব্য দেন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার রুহুল আমিন তালুকদার,
সাবেক কমান্ডার লিয়াকত আলী, জেলা পরিষদ সদস্য শামীম আহম্মেদ মুরাদ, সদর ইউপি চেয়ারম্যান সেলিম আহমেদ, সাবেক চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম চৌধুরী, সাংবাদিক জুবায়ের পাশা হিমু, হাফিজুর রহমান, মজিবুর রহমান মজুমদার প্রমূখ। বক্তরা এক বছরের জন্য ক্ষস্ত্রিস্ত প্রত্যেক কৃষককে খাদ্য সহায়তা প্রদান, সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বাঁধের কাজ তদারকি করা, এনজিও ঋণ ও কৃষি ঋণ এক বছরের জন্য আদায় বন্ধ রাখার জন্য দাবি জানান।
ওদিকে, দুপুর ২ টায় বাংলাদেশ কৃষক সংগ্রাম সমিতি তাহিরপুর উপজেলা শাখার উদোগ্যে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তাহিরপুর বাজারে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সহ-সভাপতি নুরুজ্জামান।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান কবির।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন আকিকুর রেজা, দিজেন্দ্র পুরকায়স্থ, আব্দুল আলী, আব্দুল ওদুদ প্রমুখ।
সভায় প্রধান অতিথি শাহজাহান কবির বলেন, ‘তাহিরপুর সহ হাওড় অঞ্চলের বৃহত্তর সিলেট, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, বি-বাড়িয়া জেলার ৩২ টি উপজেলার বোরফসল পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে যাওয়ায় কৃষক জনগণ দিশেহারা। এই সমস্যা প্রায় প্রতিবছর ঘটে চলেছে। এর অন্যতম কারণ নদ-নদী ভরাট, পাউবোর বেড়ী বাঁধে দুর্নীতি। চলতি বছর ব্যাপক ভাবে ফসলহানি ঘটায় হাওর অঞ্চলের কৃষক জনগণকে রক্ষার জন্য জরুরী ভিত্তিতে সমগ্র হাওর অঞ্চলকে দুর্গত এলাকা ঘোষণা করে পর্যাপ্ত ত্রাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা ও বছরব্যাপী স্বল্প মূল্যে চাল সরবরাহ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং সকল ধরনের কৃষি ঋণ মওকুফ, এনজিও ঋণের কিস্তি বন্ধের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। হাওর অঞ্চলের অকাল বন্যায় ফসলহানির সমস্যা সমাধানের জন্য নদ-নদী খননের কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। চলতি বছরের ফসলহানির প্রেক্ষিতে দুর্নীতিবাজ পাউবোর কর্মকর্তা ও ঠিকাদারদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। তিনি দাবি আদায়ে সমগ্র অঞ্চলে কৃষক জনগণকে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার আহব্বান জানান।
সভায় আগামী ১১ এপ্রিল মঙ্গলবার বেলা ১১টায় বাংলাদেশ কৃষক সংগ্রাম সমিতির উদ্যোগে উপজেলা সদরে বিক্ষোভ মিছিল ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট স্মারকলিপি প্রদানের সিদ্ধান্ত হয়।
বিকাল ৩ টায় জেলার ধর্মপাশা উপজেলার বাদশাগঞ্জ বাজারে কৃষক সংগ্রাম সমিতির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়েছে। কৃষক নেতা মতিউর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা খায়রুল বাশার ঠাকুর খান।
খায়রুল বাশার ঠাকুর খান বলেন,‘অবিলম্বে সুনামগঞ্জকে দুর্গত ঘোষণা করতে হবে। ১০ টাকা কেজি’র চাল খোলাবাজারে দ্রুত বিক্রি শুরু করতে হবে। ইজারাকৃত হাট বাজারের ইজারা প্রথা বাতিল করতে হবে। সহজ শর্তে কৃষি ঋণ দিতে হবে। গ্রামে গ্রামে রেশনিং প্রথা চালু করতে হবে। আগামী এক বছর এনজিওদের কিস্তি বন্ধ করতে হবে’।
স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বাংলা জাগ্রত সেবা ফাউন্ডেশন (বিজেএসএফ)’র উদ্যেগে সুনামগঞ্জ জেলাকে সরকারিভাবে বন্যা দুর্গত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করার দাবিতে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে মানববন্ধন করেছে। শুক্রবার বেলা ১১টায় এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
‘কৃষক বাঁচাও – হাওর বাঁচাও’ স্লোগান শীর্ষক মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন- সুনামগঞ্জ জেলা কৃষক বাঁচাও হাওর বাঁচাও সংগঠনের সদস্য সচিব বিন্দু তালুকদার, সাংবাদিক শহীদ আহমেদ, বাংলা জাগ্রত সেবা ফাউন্ডেশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি শিবলু আহমেদ চৌধুরী, সহ-সভাপতি পলাশ সরকার, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এবং সুনামগঞ্জ ব্যাড কালেকশন অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক কর্ণ বাবু দাস, এবং সংগঠনের সভাপতি সাবেক জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠিনক সম্পাদক সামিয়ান তাজুল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক সুব্রত তালুকদার, জেলা ছাত্রলীগ নেতা অমিয় মিত্র, ছাত্রলীগ নেতা নিঝুম, সুভাষ, সুজন, আরিফ, বিশ্বজিৎ, সাগর, রনি, পলাশ, মিলটন, রিংকু প্রমুখ। 
সুনামগঞ্জ জেলাকে দুর্গত এলাকা ঘোষণার দাবিতে সুনামগঞ্জ যুব পরিষদ, ঢাকার উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন ড. হালিম দাদ খান।
হোসেন চৌধুরী মেননের পরিচালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, কামাল পাশা চৌধুরী, কামরুল হাসান চৌধুরী, জাকিয়া শিশির, আবু নাসের খান-চেয়ারম্যান-পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা), বোরহান উদ্দিন আহমেদ, মিহির চন্দ্র দাস, মাহবুবুল আলম মালু, নাজমুল ইসলাম লাকী, আব্দুল হান্নান, উমর ফারুক, অ্যাড. হাসনাত কাইয়ুম, অ্যাড. কামাল উদ্দিন আহমেদ, অ্যাড. মাহফুজা বেগম সাঈদা, ভাস্কর রাশা, কৃষিবিদ রফিক চৌধুরী, ঢাকাস্থ সুনামগঞ্জ সমিতির সভাপতি আকবর হোসেন মঞ্জু, সাবেক সুনামগঞ্জ সমিতির সভাপতি মো. আব্দুল হাই, রইছ উদ্দিন আহমেদ, জাহিদ জগত, মিহির বিশ্বাস, সাইফুল হক, সাবেক যুগ্ম সচিব বিনয় ভূষণ তালুকদার, ফারজানা আফরোজ আশা, মাহবুব খান, প্রকৌশলী ড. এনামুল হক, এ.এস.এম সেলিম আহমেদ মিঠু, সাংবাদিক জাকির হোসেন প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা হাওর বাঁধ নিয়ে পাউবো কর্মকর্তা, ঠিকাদার এবং পিআইসি কমিটির সবাইকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা সদরে বিকাল ৪ টায় পথসভা করে আওয়ামী লীগ। পথসভায় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম এনামুল কবির ইমন বলেন,‘২৪ ফেব্রুয়ারি মাননীয় সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক, মোয়াজ্জেম হোসেন রতনসহ আমরা পানিসম্পদ মন্ত্রীকে বাঁধের কাজ নিয়ে ঠিকাদারদের টালবাহনা-দুর্নীতির কথা জানিয়েছি। মার্চের মাঝামাঝি সময়ে আবার মাননীয় সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক, সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতন ও সংসদ সদস্য অ্যাড. শামছুন নাহার বেগম শাহানাসহ আমরা মন্ত্রীকে অবহিত করেছি।’
মাননীয় মন্ত্রীকে আমি বলেছি, ‘সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুরের পিআইসিগণও ঠিকমত কাজ করছে না। ১০ তারিখে বিশ্বম্ভরপুরে কৃষক সমাবেশ ডাকা হয়েছে। এর আগে ৯ এপ্রিল জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভার সিদ্ধান্ত এবং ১০ তারিখের কৃষক সমাবেশের দাবি দাওয়া নিয়ে আমি ১১ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদের সঙ্গে দেখা করবো। আমি দাবি জানাবো অসহায় কৃষকদের বাঁচানোর জন্য।’
এদিকে, বিশ্বম্ভরপুরে ফসল রক্ষা বাঁধ ভেঙ্গে বোর ফসল পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে মানববন্ধন ও সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার বিকালে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা মোঃ ফুল মিয়া, বিএনপি নেতা আব্দুস সাত্তার, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক অ্যাড. মামুনুর রশিদ কয়েস, সাবেক ছাত্রদল নেতা আশিকুর রহমান আশিক, উপজেলা শ্রমিকদল সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম, যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক খলিলুর রহমান, যুবদলের আলমগীর, সেচ্ছাসেবক দলের জাহাঙ্গীর আলম, যুবদলের আবুলেইছ, সাজাউল বারী, রনেল তালুকদার প্রমুখ।
হাওরে বোরো ফসলডুবির প্রতিবাদে এবং হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণের কাজে অনিময়-দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির দাবি ও ১৩ এপ্রিল কৃষক-জনতার সমাবেশ ও সুনামগঞ্জ পাউবো অফিস ঘেরাও কমর্সূচির ডাক দিয়েছে হাওর বাঁচাও সুনামগঞ্জ বাঁচাও আন্দোলন। 
কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শুক্রবার বিকালে সুনামগঞ্জ সদর ও দোয়ারাবাজার উপজেলায় বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার নীলপুর ও দোয়ারাবাজার উপজেলার অঅমবাড়ি বাজারে পৃথক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সদর উপজেলার নীলপুর বাজারের সমাবেশে এলাকার বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা ফজর আলীর সভাপতিত্বে ও হাওর বাঁচাও সুনামগঞ্জ বাঁচাও আন্দোলনের সদস্য অ্যাড. এনাম আহমেদের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন নীলপুর বাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আশরাফ আলী, জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য অ্যাড. সাজ্জাদুর রহমান, অ্যাড. রুবেল আহমদ, অ্যাড. রমজান আলী, অ্যাড. ফজলুল হক, সাংবাদিক এমরানুল হক চৌধুরী প্রমুখ।
অন্যদিকে বিকালে দোয়ারাবাজার উপজেলার আমবাড়ি বাজারে মান্নারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় প্রাঙ্গণে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মান্নারগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা আজিজের সভাপত্বিত্বে ও হাওর বাঁচাও সুনামগঞ্জ বাঁচাও আন্দোলনের সদস্য রাজু আহমেদের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের যুগ্ম আহবায়ক বিজন সেন রায়, অ্যাড. রুহুল তুহিন, মান্নারগাঁও ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আলী, ইউপি সদস্য দ্বিপক দাস, সদস্যা বীনা মালা, সমাজসেবক মালেক মিয়া, নাট্যকর্মী সামির পল্লব, প্রদীপ পাল, আ. সাত্তার মাহবুব প্রমুখ।
পানি উন্নয়ন বোর্ড হাওরের এই ফসল রক্ষায় ৪৮ কোটি ৭২লাখ টাকা ব্যয়ে ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণ করছে। কৃষকদের অভিযোগ, বাঁধের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়া এবং কাজে অনিয়মের কারণেই হাওরে এই অসময়ে ফসলহানি ঘটেছে।


