সু.খবর রিপোর্ট
দোকানে নিত্যপন্যের বিক্রয় তালিকা না থাকায় এবং মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি করায় ৫ ব্যাবসায়ীকে ৩১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। শনিবার পৌর শহরের জগন্নাথবাড়ি এলাকায় ও শহরতলীর টুকেরবাজারে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আরিফ আদনান, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন বাজার মনিটরিং কর্মকর্তা আব্দুল খালেক খান।
মূল্য তালিকা প্রদর্শন ও পণ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে শহরের জগন্নাথবাড়ির মোল্লা টেড্রাস’র ব্যবসায়ী মোকলেছুর রহমানকে ১০ হাজার টাকা অনাদায়ে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড সহ অন্য ২ ব্যবসায়ীকে ৬ হাজার টাকা জরিমানা করার হয়।
এছাড়াও শহরতলীর গোরারং ইউনিয়নের টুকেরবাজারের আব্দুল রশিদ টেড্রাসের ব্যবসায়ী শফিকুল মিয়াকে পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধি ও পণ্য নোংরা পরিবেশে মালামাল রাখার জন্য ১০ হাজার টাকা অনাদায়ে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়। একই এলাকার ব্যবসায়ী আব্দুল খালেক এন্ড সন্স কে মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য বিক্রির অপরাধে ৫ হাজার টাকা জমিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালাত।
দিরাই
দিরাইয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে ৮ ব্যবসায়ীকে ৩০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে দিরাই পৌর শহরের দিরাই বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সফি উল্লাহ এ অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন ওসি কে এম নজরুল, স্যানেটারী ইন্সপেক্টর মঙ্গল চন্দ্র রায়, সাংবাদিক প্রশান্ত সাগর দাস, সাঁটলিপিকার স্বপন কান্তি দাস প্রমুখ।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সফি উল্লাহ জানান, অতিরিক্ত মুল্যে পণ্য বিক্রয় করা দায়ে নারায়ন দাস, আব্দুল বাতেন, অমল রায়কে ৫ হাজার টাকা করে, মূল্য তালিকা না থাকা ও প্লাস্টিকের বস্তায় চাল রাখার দায়ে রতি কান্ত দাস ও পুলক দাসকে ২ হাজার টাকা করে, অপরিচ্ছন্নতা দায়ে রেস্টুরেন্ট মালিক জুয়েল চৌধুরীকে ৫ হাজার টাকা, এমরান সরদারকে ১ হাজার টাকা ও পণ্যের গায়ে মূল্য লিখা না থাকায় বেকারি মালিক নাজমুল হোসেনকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করে আদায় করা হয়েছে।
জগন্নাথপুর
করোনাভাইরাসের সংক্রমনের অজুহাতে অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রি করা এবং মূল্য তালিকা না থাকায় জগন্নাথপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত সাতটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে অর্থদ- প্রদান করেছে।
শনিবার বিকেলে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহফুজুল আলম মাসুমের নেতৃত্বে পৌরশহরের জগন্নাথপুর বাজার ও হাসপাতাল এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে সাত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৩২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক বিচারক জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, করোনাভাইরাসের অনুজাতে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্য বৃদ্ধি করে বিক্রি করায় এবং পণ্যের মূল্য তালিকা না থাকায় সাত ব্যবসায়ীকে অর্থদ- প্রদান করা হয়েছে। এধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ধর্মপাশা
ধর্মপাশায় করোনাভাইরাসের অজুহাতে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধির অভিযোগে চার ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে ধর্মপাশা সদর বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু তালেব।
জানা যায়, ওই বাজারের ব্যবসায়ীরা করোনাভাইরাসের অজুহাতে চাল ও পেঁয়াজ অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছে। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার দুপুরে বাজারে অভিযানে গিয়ে এর সত্যতা পাওয়া যায়। অতিরিক্ত দামে দ্রব্য সামগ্রী বিক্রির অভিযোগে দোকানী কবির আহমেদ ৫ হাজার, জামাল মিয়া ৫ হাজার, সেন্টু মিয়া ২ হাজার ও মাসুদ মিয়াকে ১ হাজার টাকাসহ মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন ধর্মপাশা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সুজন চন্দ্র সরকার, ওসি মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, নাজির আবুল হাসান প্রমুখ।
তাহিরপুর
তাহিরপুর উপজেলা সদর বাজার ও বাদাঘাট বাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৪৫ হাজার টাকা জড়িমানা করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাহিরপুর।গতকাল শনিবার বিকেলে উপজেলার বাদাঘাট বাজার ও সন্ধ্যায় তাহিরপুর উপজেলা সদর বাজারে চাল ও পেয়াজের দাম দ্বিগুন বৃদ্ধি করে বিক্রি করায় দোকানীদের মোবাইল কোর্ট করে জড়িমানা আদায় করেন। মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময় তাহার সাথে তাহিরপুর থানার পুলিশ সদস্যরা সাথে ছিলেন।
তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিজেন ব্যানার্জী বলেন, শনিবার সকাল ১০টা থেকে করোনা জনসচেনতায় লাউড়েরগড় বাজারে লিফলেট বিতরণ,বিকাল ও সন্ধ্যায় বাদাঘাট ও তাহিরপুর বাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এতে ৪৫ হাজার টাকা জড়িমানা আদায় করা হয়।


