সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রিয়াজুল সকল বিষয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে। মায়ের সঙ্গে উচ্ছ্বসিত রিয়াজুল
সজীব দে
সুনামগঞ্জ জেলায় গতবারের চেয়ে এবার বেড়েছে পাশের হার ও জিপিএ ৫। এবার সুনামগঞ্জ জেলার পাসের হার ৭৮.৩৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪১৩ জন শিক্ষার্থী। ২০১৯ সালে সুনামগঞ্জ জেলার পাসের হার ছিল ৭২.২৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২ শ’ ৬৪ জন শিক্ষার্থী। সিলেট শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্লেষণ করে জানা যায়, এবার জেলার ২১৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ২৪ হাজার ৯শত ৯০জন শিক্ষার্থী। এরমধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৯ হাজার ৫শত ৭৫ জন।
পাশের হারের দিক দিয়ে সুনামগঞ্জ জেলায় এগিয়ে রয়েছে জগন্নাথপুর উপজেলা, পাশের হার ৮৪.৮৫ শতাংশ। এছাড়াও ২য় জামলগঞ্জ উপজেলা, পাশের হার ৮২.৭৪ শতাংশ, ৩য় ছাতক উপজেলা, পাশের হার ৮১.৭৫ শতাংশ, ৪র্থ দোয়ারাবাজার উপজেলা, পাশের হার ৮০.৩৩ শতাংশ, ৫ম দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা, পাশের হার ৮০.২৪ শতাংশ, ৬ষ্ঠ সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা, পাশের হার ৭৯.৫৬ শতাংশ, ৭ম বিশ^ম্ভরপুর উপজেলা, পাশের হার ৭৯.৪৯ শতাংশ, ৮ম ধর্মপাশা উপজেলা, পাশের হার পাশের হার ৭৮.০৯ শতাংশ, ৯ম শাল্লা উপজেলা, পাশের হার ৭৪.২২ শতাংশ, ১০ দিরাই উপজেলা, পাশের হার ৭১.৪৬ শতাংশ এবং সব শেষে তাহিরপুর উপজেলা, পাশের হার ৬৭.৬৭ শতাংশ।
এদিকে ১২১ টি জিপিএ ৫ পেয়ে এগিয়ে রয়েছে ছাতক উপজেলা। এরপর যথাক্রমে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা ১০১ টি, দিরাই উপজেলা ৩৭টি, ধর্মপাশা উপজেলা ৩৩টি, জামালগঞ্জ উপজেলা ২৯, জগন্নাথপুর উপজেলা ২৫টি, বিশ^ম্ভরপুর উপজেলা ১৮টি, তাহিরপুর উপজেলা ১৫ টি, দোয়ারাবাজার উপজেলা ১৩টি, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা ১৩টি, শাল্লা উপজেলা ৮টি জিপিএ ৫ পেয়েছে।
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ২০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ৩০৪৯ জন অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ২৪২৬ জন। পাশের হার ৭৯.৫৬ শতাংশ। জিপিএ ৫- পেয়েছে ১০১ জন।
আব্দুল আহাদ শাহিদা চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৭৮ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫৪ জন। জিপিএ- ৫ পেয়েছে ১ জন। পাশের হার ৬৯.২৩ শতাংশ।
আলহাজ¦ জমিরুন নুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৭৬ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ১২১ জন। পাশের হার ৬৮.৭৫ শতাংশ।
অষ্টগ্রাম রাস গোবিন্দ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৬৪ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫৩ জন। পাশের হার ৮২.৮১ শতাংশ।
বুলচান্দ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪৫ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ২৬ জন। পাশের হার ৫৭.৭৮ শতাংশ।
চরমহল্লা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৫৯ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ১২৬ জন। জিপিএ- ৫ পেয়েছে ১ জন। পাশের হার ৭৯.২৫ শতাংশ।
চৌদ্দগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫৪ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩৭ জন। পাশের হার ৬৮.৫২ শতাংশ।
সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৪৮ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ২৩৭ জন। জিপিএ- ৫ পেয়েছে ৪৬ জন। পাশের হার ৯৫.৫৬ শতাংশ।
সরকারি এসসি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৪১ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ২২২ জন। জিপিএ- ৫ পেয়েছে ৩৭ জন। পাশের হার ৯২.১২ শতাংশ।
এইচএমপি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৯০ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ২৩৮ জন। জিপিএ- ৫ পেয়েছে ১ জন। পাশের হার ৮২.০৭ শতাংশ।
হাজী লাল মাহমুদ উচ্চ বিদ্যালয় ১৮১ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৪৮ জন। জিপিএ- ৫ পেয়েছে ১ জন। পাশের হার ৮১.৭৭ শতাংশ।
জয়নগরবাজার হাজী গনি বক্স উচ্চ বিদ্যালয় ১৫৯ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৩৬ জন। জিপিএ- ৫ পেয়েছে ২ জন। পাশের হার ৮৫.৫৩ শতাংশ।
কৃষ্ণনগর হোসেনিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ৪৮ জন। পাশের হার ৫৭.৮৩ শতাংশ।
লবজান চৌধুরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫৯ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫২জন। পাশের হার ৮৮.১৪ শতাংশ।
মঙ্গলকাটা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২২১ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৫৯ জন। জিপিএ- ৫ পেয়েছে ৭ জন। পাশের হার ৭১.৯৫ শতাংশ।
নারায়ণতলা মিশন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০০ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৭২ জন। জিপিএ- ৫ পেয়েছে ১ জন। পাশের হার ৮৬.০০ শতাংশ।
রঙ্গারচর হরিণাপাটি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৯৭ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ৮৩ জন। পাশের হার ৮৫.৯৭ শতাংশ।
শান্তিগঞ্জ মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৬৬ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ৬১ জন। জিপিএ- ৫ পেয়েছে ২ জন। পাশের হার ৯২.৪২ শতাংশ।
সুনামগঞ্জ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় থেকে ৩৪৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ২৯২ জন। জিপিএ- ৫ পেয়েছে ২ জন। পাশের হার ৮৫.১৩ শতাংশ।
সৈয়দপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৩৭ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩৩ জন। পাশের হার ৮৯.১৯ শতাংশ।
ইয়াকুব উল্লা পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৪৮ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ১২৮ জন। পাশের হার ৮৬.৪৯ শতাংশ।
এদিকে শাল্লা উপজেলার ১৩ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ৯৮৯ জন অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ ৭৩৪ জন। পাশের হার ৭৪.২২ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৮ জন।
তাহিরপুর উপজেলার ১৮ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ২০৯৪ জন অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ ১৪১৭ জন। পাশের হার ৬৭.৬৭ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১৫ জন।
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ১০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ১৮১৪ জন অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ ১৪৪২ জন। পাশের হার ৭৯.৪৯ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১৮ জন।
জগন্নাথপুর উপজেলার ৩০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ২৩৫৬ জন অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৯৯৯ জন। পাশের হার ৮৪.৮৫ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ২৫ জন।
দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার ১৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ১৩২১ জন অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ ১০৬০ জন। পাশের হার ৮০.২৪ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১৩ জন।
ছাতক উপজেলার ৪০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ৩৯৭২ জন অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ ৩২৪৭ জন। পাশের হার ৮১.৭৫ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১২১ জন।
দিরাই উপজেলার ২৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ২৭৮৯ জন অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ ১৯৯৩ জন। পাশের হার ৭১.৪৬ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩৭ জন।
জামালগঞ্জ উপজেলার ১০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ১৩৭৩ জন অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ ১১৩৬ জন। পাশের হার ৮২.৭৪ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ২৯ জন।
ধর্মপাশা উপজেলার ১৮ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ২৮৪৪ জন অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ২২২১ জন। পাশের হার ৭৮.০৯ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩৩ জন।
দোয়ারাবাজার উপজেলার ১৮ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ২৩৮৯ জন অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৯১৯ জন। পাশের হার ৮০.৩৩ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১৩ জন।
কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে জেলার ৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ৭৩৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫৬৬ জন। পাশের হার ৭৭.২১ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৬ জন।


