স্টাফ রিপোর্টার
জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৪নং ওয়ার্ডের (জামালগঞ্জ উপজেলার) সীমানা নির্ধারণের বিষয়ে দুইটি ওয়ার্ডের সীমানা পুনঃনির্ধারণে পৃথক আপত্তির শুনানী অনুষ্ঠিত হয়েছে। সীমানা নির্ধারণ কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক শেখ রফিকুল ইসলাম পৃথক আপত্তির শুনানী সম্পন্ন করেন।
মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১০ টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জামালগঞ্জ উপজেলার ফেনারবাঁক ইউনিয়নকে ৪নং ওয়ার্ড জামালগঞ্জ উপজেলা থেকে ৩নং ওয়ার্ড ধর্মপাশায় অন্তুর্ভুক্তিকরণের আপত্তির বিষয়ে এই শুনানী অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া মঙ্গলবার একই সময়ে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ ও জগন্নাথপুর উপজেলার দু’টি ওয়ার্ডের সীমানা নির্ধারণ নিয়ে পৃথক আরেকটি শুনানী অনুষ্ঠিত হয়।
শুনানীতে অংশগ্রহণ করেন ৪নং ওয়ার্ডের সীমানা নির্ধারণে আপত্তিকারী জামালগঞ্জ উপজেলার জামালগঞ্জ উত্তর ইউনিয়নের সাচনা গ্রামের বাসিন্দা অর্ধেন্দু ঘোষ চৌধুরী সঞ্জু ও ফেনারবাঁক ইউনিয়নের উজান দৌলতপুর গ্রামের বাসিন্দা সাংবাদিক বিন্দু তালুকদার। শুনানীর সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) লুৎফুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সাবেরা আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. কামরুজ্জামান।
সীমানা নির্ধারণ প্রসঙ্গে আপত্তিকারী সাংবাদিক বিন্দু তালুকদার ও অর্ধেন্দু ঘোষ চৌধুরী সঞ্জুর পক্ষে শুনানীতে অংশ গ্রহণ করেন জামালগঞ্জের বাসিন্দা অ্যাড. আবুল কালাম আজাদ, অ্যাড. নাসিরুল হক আফিন্দী, অ্যাড. মনিশংকর পাল ও অ্যাড. আব্দুল খালেক।
শুনানীকালে আপত্তিকারী ও উপস্থিত আইনজীবীগণ ফেনারবাঁক ইউনিয়নকে ধর্মপাশা উপজেলার ৩নং ওয়ার্ড থেকে কেটে জামালগঞ্জ উপজেলার ৪নং ওয়ার্ডে অন্তর্ভুক্তকরণ ও জামালগঞ্জ উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন পরিষদকে নিয়ে ৪নং ওয়ার্ড গঠনের দাবি জানান।
শুনানী শেষে জেলা প্রশাসক শেখ রফিকুল ইসলাম আপত্তিকারীদের বলেন, ‘সীমানা নির্ধারণ নিয়ে শুনানীর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পরবর্তীতে জানিয়ে দেয়া হবে।’


