জ্বলুক জতুঘর

কুমার সৌরভ
তবুও জ্বলো তবুও জ্বালাও
ছাই কর ছাইভস্ম মাখো
মিলিয়ে যাই আমি অসীম শূন্যতায়।

এই যে বেঁচে আছি পরগাছা জীবন
কেবল আশ্রয় খোঁজা নতুবা দহন,
লতিয়ে উঠার মতো লোভের বাসনায়
নিজেকে ভুলিয়ে দেয়ার দুর্মর আকাশ
বিস্তৃত হয় এক অস্পৃশ্য হাহাকারে–
এখানে অযুথ মৃত্যুকীট সহজাত প্রতিহিংসায়
প্রতিদিন পরোয়ানা পাঠায় সমর্পন না হয় পতনের।

এত দিন কেটে গেল মোহমাখা পৃথিবীর
সুখস্পর্শ উপভোগের দুর্নিবার আশায়
সব আশা কালো কালো পিপিলিকার মতো
সারি বেধে আপন বৃত্তে ঘুরে শুধু
সীমাহীন বেদনায়।

এমন নিরর্থক জীবন না হয় জ্বলুক।
মেঘের আগ্রাসন রুখে দিতে আমার নিস্তেজ প্রাণ
তবু রচনা করে চলে প্রতিরোধের জতুঘর
তোমরা এইটুকু কোণে জমিয়ে তোল ছাইয়ের পাহাড়।
২১.০৭.২০১৭