জাউয়াবাজার প্রতিনিধি
কাঁদলে কাজ হবে না, টাকা তোমাকে দিতেই হবে। হ্যাঁ টাকা দিতেই হয়েছে। বিষয়টি অন্যায় ও অবৈধ হলেও টাকা দিতে হয়েছে জয়কলস হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ নান্নু মিয়াকে। নান্নু মিয়া সড়কে বেপরোয়া চাঁদাবাজী করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
গাড়ির চালকদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের বিষয়ে নান্নু মিয়ার মন্তব্য, অবৈধ গাড়ী নিয়ে যখন রাস্তায় বের হয়েছে তখন আমার প্রাপ্য টাকা দিতেই হবে। গত রবিবার এমনই এক চাঁদা আদায়ের ঘটনা ঘটেছে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কে বদিরগাঁও হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির সামনে।
স্থানীয় এবং সিলেটের টেম্পু চালক সূত্রে জানা যায়, রবিবার সকালে শাহিন মিয়া তার টেম্পু সিলেট ফ-১১-০০৫৬ দিয়ে জাউয়াবাজার ফিজা এন্ড কোং এর মালামাল নিয়ে সিলেট থেকে জাউয়াবাজার আসছিলেন। সিলেট সুনামগঞ্জ সড়কে বদিরগাঁও নামক স্থানে জয়কলস হাইওয়ে পুলিশ তার গাড়ি আটক করে। হাইওয়ে পুলিশ তার নিকট সাড়ে ৩ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। পুলিশের কথা মত টাকা না দিলে গাড়ীটিও ছাড়া যাবে না এবং মালামালও নিতে পারবে না জানানো হয়। মালামাল এখানেই পঁচে নষ্ট হবে। চালক শাহিন মিয়া তখন মালামাল নষ্ট হওয়ার ভয়ে আইন অনুযায়ী গাড়ীর বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে গাড়ী ছেড়ে দিতে ইনচার্জ নান্নুর হাতে পায়ে ধরে কান্নাকাটি করেন। কিন্তু কোন লাভ হয়নি। শেষ পর্যন্ত চাহিদামত টাকা দিয়ে ছাড়া পেয়েছেন তিনি।
চালক শাহীন মিয়া জানান, নান্নু মিয়াকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা দেয়ার পরই গাড়িসহ তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এতে তার অনেক ক্ষতি হয়েছে।
জাউয়াবাজার ফিজা এন্ড কোং এর ম্যানেজার আব্দুল মতিন বলেন,‘ টাকা আদায়ের ঘটনাটি সত্য। আমার মালামালবহনকারী চালকের নিকট সাড়ে ৩ হাজার টাকা ছিল না। সে আমার নিকট থেকে ২ হাজার টাকা নিয়ে সাড়ে ৩ হাজার টাকা দিয়ে মালামাল নিয়ে বিকালে এসেছে। এতে আমার অনেক খাবার নষ্ট হয়ে গেছে।
এ ব্যাপারে হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ নান্নু মিয়ার সাথে মোবাইল ফোনে কথা বলতে চাইলে সাংবাদিক পরিচয় জেনেই ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন তিনি। পরে চেষ্টা করলেও ফোন রিসিভ করেননি তিনি।
- জামালগঞ্জে জলমহালের তীরে ঘর তৈরির অভিযোগ
- তারাপুর চা-বাগান মামলা রাগীব আলীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু


