জামালগঞ্জ সংবাদদাতা
জামালগঞ্জ উপজেলার যোগাযোগের প্রধান সড়ক জামালগঞ্জ-মন্নানঘাট সড়কের নয়াহালট-চাঁনপুর সেতুর এপ্রোচ ধসে পড়েছে। একারণে যেকোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। গত তিনদিনের বর্ষণে ধসে পড়া অংশে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কের পাশের গাইডওয়ালের ব্লক সরে যাওয়ায় মাটি ধসে গেছে। এতে সড়কের বেশিরভাগ অংশ জুড়ে বিশাল গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। গত বন্যায়ও সেতুর দুই পাশের মাটি ধসে বড় ধরনের গর্ত হয়েছিল। উপজেলা প্রশাসন বাঁশ ও ড্রামের পাত দিয়ে মাটি ফেলে গর্ত বন্ধ করলে চলাচল স্বাভাবিক হয়। কিন্তু গত তিনদিনের টানা বৃষ্টিতে সড়কের একপাশের এপ্রোচের মাটি সরে গিয়ে বড় ধরনের গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে যে কোন সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। গর্তটি দ্রুত বন্ধ না করলে সড়কের বাকি অংশ ভেঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও করা হচ্ছে।
জামালগঞ্জ মোটর শ্রমিক লীগের সভাপতি মো. নাজিম উদ্দিন জানান, এই সেতুটির এপ্রোচ বারবার মাটি দিয়ে বন্ধ করার পরও সামান্য বৃষ্টি হলেই মাটি সরে গিয়ে বড় ধরনের গর্তের সৃষ্টি হয়। সড়কে প্রতিদিন হাজার হাজার মোটরবাইক, অটোরিক্সা ও সিএনজি চলাচল করে। ধর্মপাশা থেকে সুনামগঞ্জ যেতে হলে স্পীডবোট, নৌকা ও লঞ্চে এসে মন্নানঘাট থেকে জামালগঞ্জ হয়ে যাত্রীরা জেলা শহর সুনামগঞ্জে যাতায়াত করেন। সুনামগঞ্জ ও মোহনগঞ্জসহ এই এলাকার চলাচলের জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক এটি। এই সড়ক বন্ধ হলে যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হবে লাখো মানুষকে। এজন্য এই সেতুর এপ্রোচটি জরুরী ভিত্তিতে ব্লক দিয়ে স্থায়ীভাবে মেরামত করার দাবি জানাচ্ছি।
এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল মালেক বলেন, বিগত বন্যায় উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয়ের সমন্বয়ে সেতুটির দুই পাশের এপ্রোচের গর্ত ভরাট করা হলেও গত তিনদিনের টানা বৃষ্টিতে সেতুটির এক পাশে বড় ধরনের গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এপ্রোচটি স্থায়ী মেরামত করা না হলে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক টেকানো সম্ভব হবে না। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে আমরা বিষয়টি অবহিত করেছি।
তিনি জানালেন, সাময়িকভাবে যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু রাখার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
- নিজ ক্লাসের শিক্ষার্থীকে কোনো শিক্ষক কোচিংয়ে পড়াতে পারবেন না: শিক্ষামন্ত্রী
- বিশ্বরূপ গোস্বামীর জন্মতিথি উপলক্ষে নানা আয়োজন


