স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নে ডলুরা স্থলবন্দরের জন্য জায়গা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার দুপুরে কাস্টমস ও স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের ৬ সদস্যের একটি দল বন্দরের ট্রাফিক বিভাগের পরিচালক আনিছ আহমদের নেতৃত্বে একটি টিম জায়গা নির্ধারণ করেন।
জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের পাতেরগাঁও মৌজার ডলুরা ও ভারতের মেঘালয়ের বালাট বাংলাদেশ সীমান্তের আন্তর্জাতিক সীমানা পিলার
১২১২(৯-৫)-এ এলাকায় (ডলুরা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিসৌধের পশ্চিম দিকে) স্থান নির্ধারণ করা হয়।
ডলুরা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিসৌধ সংলগ্ন কাস্টম অফিসের ইমিগ্রেশন সেন্টার ও রাজস্ব অফিসসহ স্টাফ কোয়ার্টার নির্মাণের জন্য ১০ একর এবং বন্দরের জন্য বন্দর শেড, ট্রাক টার্মিনাল, গুদামঘর ও আবাসিক ভবন নির্মাণের জন্য ১৫ একর জায়গা অধিগ্রহণের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
৬ সদস্যের ওই দলে স্থলবন্দরের ট্রাফিক বিভাগের পরিচালক আনিছ আহমদ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হাছান আলী, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক সাবেরা আক্তার, সিলেট কাস্টমসের সহকারী কমিশনার আহমেদ রেজা ও সুনামগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি খায়রুল হুদা চপল ছিলেন। এসময় সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) সোনিয়া সুলতানা, জাহাঙ্গীরনগর ইউপি চেয়ারম্যান মকসুদ আলী, সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ সহকারি কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেন, চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক নুরুল ইসলাম বজলু, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা সানুর মিয়া, স্থানীয় আমাদানিকারক ব্যবসায়ী নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
সুনামগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি খায়রুল হুদা চপল বলেন,‘ডলুরা স্থলবন্দর চালু হলে এলাকার অর্থনৈতিক কার্যক্রম গতিশীল হবে। ভারত বাংলাদেশের মধ্যে ব্যবসা বাণিজ্য সম্প্রসারণ হবে। ডলুরা স্থল বন্দর হবে সুনামগঞ্জের একমাত্র স্থল বন্দর।’
স্থলবন্দরের ট্রাফিক বিভাগের পরিচালক আনিছ আহমেদ বলেন,‘ডলুরা স্থলবন্দর নির্মাণের জায়গা পরিদর্শন করা হয়েছে। জায়গা অধিগ্রহণের পর বন্দর নির্মাণের কার্যক্রম শুরু হবে।’
ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক সুনামগঞ্জ সাবেরা আক্তার বলেন,‘স্থলবন্দরের জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন আলোচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
উল্লেখ্য, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি এনবিআর এর চেয়ারম্যান নজিবুর রহমানের নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের একটি দল স্থলবন্দর এলাকা পরিদর্শন করার পর বন্দর স্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। এটি চালু হলে ভারতের মেঘালয়, ত্রিপুরা, মিজোরাম, উড়িষাসহ সেভেন স্টিস্টার রাজ্যগুলোর সঙ্গে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম শুরু হবে। এতে ভারত বাংলাদেশ উভয় দেশই লাভবান হবে।


