জগন্নাথপুর অফিস
জগন্নাথপুরের মিরপুর ইউনিয়নে ডাকাত আতঙ্কে গ্রামে গ্রামে দল বেঁধে রাত জেগে পাহারা দিয়েছেন এলাকার লোকজন। ফলে নিদ্রহীন রাত কাটল ইউনিয়নবাসির। তবে ডাকাত হানা দেয়নি।
গত শনিবার রাত ৯টার দিকে পুলিশের পক্ষ থেকে খবর দেয়া হয় এলাকায় ডাকাত প্রবেশ করতে পারে। তাই সর্তক থাকার জন্য আহবান জানানো হয় স্থানীয়দের। এ খবর দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। লোকজন দলবদ্ধ হয়ে গ্রামে গ্রামে পাহারা বসান। কেউ কেউ লাঠিসোটা নিয়ে পাহারা দিয়েছেন সারারাত।
এলাকাবাসি জানান, জগন্নাথপুর থানা পুলিশের পক্ষে থেকে রাতে জানানো হয়, সিলেটের বিশ্বনাথ এলাকা থেকে কুখ্যাত ডাকাত মক্রম এর নেতৃত্ব একদল ডাকাত জগন্নাথপুরের মিরপুর ইউনিয়নে প্রবেশ করতে পারে। এজন্য সবাইকে সর্তক থাকার জন্য বলা হয়।
মিরপুর ইউনিয়নের হাসান ফাতেমাপুর গ্রামের যুবক বাদশা মিয়া বলেন, গ্রামে ডাকাত হানা দেবে এই খবরে নারী পুরুষের মধ্যে ভয় দেখা দেয়। স্বেচ্ছায় মানুষ পাড়া মহল্লায় লাঠিসোটা নিয়ে রাত জেগে পাহারা দিয়েছেন। সারারাত কেউ ঘুমাতে পারেননি।
শ্রীরামসী গ্রামের বাসিন্দা স্থানীয় ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মাহবুব হোসেন বলেন, ডাকাত দল এলাকায় যেকোনো মুহূর্তে প্রবেশ করতে পারে এমন খবর রাত ৯টা থেকে ছড়িয়ে পড়ে। তিনি বলেন, আমাদের গ্রামের পাশেই বিশ্বনাথ থানা। তাই গ্রামের সকল প্রবেশ পথে যুবকসহ স্থানীয়দের নিয়ে আমরা সারারাত পাহারা দিয়েছি।
মিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক শেরীন বলেন, জগন্নাথপুর থানার ওসি রাত ৯টার দিকে জানান, বিশ্বনাথ এলাকা থেকে ডাকাত সর্দার মক্রম তার দলবল নিয়ে মিরপুর ইউনিয়নে প্রবেশ করতে পারে। এই খবরে পুলিশের পাশাপাশি এলাকার গ্রাম পুলিশসহ গ্রামে গ্রামে পাহারা দিয়েছেন জনতা।
জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, আমাদের কাছে তথ্য ছিল, বিশ্বনাথ এলাকা থেকে মিরপুর ইউনিয়নে ডাকাত দল হানা দিতে পারে। সেজন্য আমরা সবাইকে সর্তক করেছে। পুলিশ পাহারাও জোরদার করা হয়েছিল। তবে ডাকাত প্রবেশ করতে পারেনি। তিনি বলেন, জগন্নাথপুর, বিশ্বনাথ ও ওসমানি নগর থানায় এ ধরনের তথ্য ছিল।
- বিশ্বম্ভরপুরে মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা পরিদর্শন
- জঙ্গল হয়ে আছে শহীদ সিরাজুলের কবর


