Deprecated: Required parameter $month follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $day follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $year follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $display_count follows optional parameter $sharing_type in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/sassy-social-share/public/class-sassy-social-share-public.php on line 292

Deprecated: Required parameter $total_shares follows optional parameter $sharing_type in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/sassy-social-share/public/class-sassy-social-share-public.php on line 292
ডিঙি নৌকায় চা বিক্রি করে জীবিকা – সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক

ডিঙি নৌকায় চা বিক্রি করে জীবিকা

লিপসন আহমেদ
জীবন জীবিকা ও করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে গত ১৯ আগস্ট মত খুলে দেওয়া হয়েছে জেলার সকল পর্যটন কেন্দ্র। পর্যটনকেন্দ্র খুলে দেওয়ার প্রাণ ফিরে পেয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী, নৌযান শ্রমিক-কর্মচারীরাসহ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। জীব বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ টাঙ্গুয়ার হাওরে প্রতিদিন হাজারো পর্যটক আসছেন। হাওরের বিস্তীর্ণ জলরাশির ওপর ভাসছে পর্যটকবাহী নৌকা। পানিতে নেমে হৈ হুল্লোড় করছেন, হাওরের ওয়াচ টাওয়ারের নিচে পানিতে লাফ-ঝাঁপ দিচ্ছেন। অনেকেই আবার গলা পানিতে শরীর ডুবিয়ে চা পান করতে দেখা যাচ্ছে। জানা যায়, নৌকায় চা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন প্রায় ৫০ জন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। পর্যটক ও বিভিন্ন পর্যটকবাহী নৌকায় পাশে ঘুরে ঘুরে ছোট ডিঙি নৌকায় করে রং চা, বিস্কুট, পান, মুড়ি, সিগারেট বিক্রি করেন তারা। প্রতি কাপ চায়ের দাম ১০ টাকা। হাওরে বেড়াতে আসা পর্যটকদের মধ্যে দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়েছে এই রং চা। অনেকে চা খেতে খেতে সেলফিও উঠছেন।
পর্যটক রুবেল আহমেদ ও সামি খান বলেন, বন্ধুুরা সবাই মিলে টাঙ্গুয়ার হাওরে ঘুরতে আসছি। হাওরের পানিতে শরীর ডুবিয়ে চা খাওয়ার যে মজা তা বলে বুঝাতে পারব না।
সুফিয়ান আহমেদ বলেন, পরিবারের সবাইকে নিয়ে টাঙ্গুয়ার হাওরে ঘুরতে এসেছি। দীর্ঘক্ষণ নৌকায় চড়ায় মাথা খুব ধরেছে, সেজন্য নৌকা থেকে নেমে চা খেলাম। তবে এখানে চায়ের দাম হলেও এখানের রং চায়ের মত স্বাদ বাংলাদেশের আর কোথাও নেই।
টাঙ্গুয়ার হাওরে ছোট নৌকা নিয়ে চা বিক্রিতা মতিন মিয়া বললেন, গত দুই দিন ধরে হাজারো পর্যটক টাঙ্গুয়ার হাওরে আসছেন। আমরা ছোট নৌকা করে চা, বিস্কুট, পান, সিগারেট, মুড়ি নিয়ে হাওরে থাকি। পর্যটকরা রং চা খেতে ভালোবাসেন। আমরা আধা কাপ রং চা ১০ টাকায় বিক্রি করি। রং চা লেবুর পাতা দিয়ে তৈরী করি যা পর্যটকরা খেয়ে খুব তৃপ্তি পান। দৈনিক ৬শ’ থেকে ৭শ’ টাকার মত রোজগার হয় আমাদের।
চা বিক্রেতা সাহানুর মিয়া বলেন, আমরা হাওরপাড়ের মানুষ, আমাদের খোঁজ খবর কেউ রাখে না। পর্যটকরা আসলে আমাদের পেটে ভাত পড়ে, বর্তমানে টাঙ্গুয়ার হাওরে পর্যটকদের মিলন মেলা চলছে। তিনি জানান, প্রায় ৫০ জন ব্যবসায়ী ডিঙি নৌকায় চা, বিস্কুট বিক্রি করছেন।
তাহিরপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রায়হান কবির বলেন, পর্যটকরা যাতে স্বাস্থ্যবিধি মানেন সেজন্য আমরা মাঠে কাজ করছি। নৌকাঘাটে মাস্ক বিতরণ করছি। ইতিমধ্যে উপজেলায় মাইকিং করা হয়েছে।