তরমুজ ও পেয়ারার অগ্নিমূল্য

স্টাফ রিপোর্টার
বাইরের জেলা নাটোর ও রাজশাহীর ‘বাংলালিংক’ তরমুজ এবং রাজশাহীর পেয়ারা বিক্রি হচ্ছে রমজান মাসের বাজারে চড়া মূল্যে। এবার স্থানীয় তরমুজের উৎপাদন কম থাকায় এবং মওসুম শেষ হওয়ায় বাইরের জেলার তরমুজ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে সুনামগঞ্জের বাজারের বিভিন্ন স্থানে। একটি বড় বা মাঝারি আকারের তরমুজের মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে রয়েছে বলে মন্তব্য একাধিক ক্রেতার।
শহরের কালীবাড়ি, ট্রাফিক পয়েন্ট, থানার সামনে এবং ফল বাজার এলাকায় বাইরের জেলার তরমুজ ও পিয়ারা চড়া মূল্যে বিক্রি হতে দেখা গেছে। রাজশাহীর প্রতি কেজি পেয়ারা বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ৮০ টাকা এবং সর্বনিম্ন ৬০ টাকা দরে। তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ছোট আকারের একটি ৫০ টাকা, মাঝারি একটি দেড় শত টাকা এবং বড় আকারের একটি ৩ শত টাকা হিসাবে।
ক্রেতা আবুল ফজল বলেন, বাজারে এসেছিলাম তরমুজ কিনে নিতে। একটি মাঝারি তরমুজের দাম ২ শত টাকা হওয়ায় এক কেজি রাজশাহীর পেয়ারা কিনেছি ৭০ টাকায়। এই রমজানের মাসে সন্তানদের খাওয়াতে নিয়ে যাচ্ছি বাড়িতে।
ক্রেতা রহমান মিয়া বলেন, প্রতি সপ্তাহে ২/১ বার এক কেজি করে পিয়ারা কিনে নিই। কিছুদিন আগে যা দাম কম ছিল এখন বেড়েছে ১০—২০ টাকা প্রতি কেজিতে। রমজান মাসে না নিয়ে কি করব।
ফল ব্যবসায়ী আমির হোসেন বলেন, আমরা পেয়ারা কিনি প্রতি কেজি ৫০ টাকা হিসাবে। বিক্রি করি প্রতি কেজি ৬০—৭০ টাকা দরে। তরমুজ কিনি শতকরা হিসাবে। ছোট বড় মিলাইয়া। পরে বেশি দামে বিক্রি না করলে লাভ হয় না।
বিশ্বম্ভরপুরের উপজেলা উপ—সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামছুল আলম (বিধু) বলেন, আমাদের এলাকায় তরমুজের আগাম ফলন হয়। আবহাওয়ার প্রতিকূলতার কারণে এবার তরমুজের ভাল ফলন হয়নি। যা ফলন হয়েছিল শেষ হয়েছে।
সদর উপজেলা কৃষি অফিসার সালাহ উদ্দিন টিপু বলেন, আমাদের জেলায় আগাম তরমুজের ফলন হয়। এবার আমাদের সদর উপজেলায় ৫ হেক্টর জমিতে তরমুজের ফলন হয়েছিল। প্রতিবছর ডিসেম্বর, জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তরমুজের মওসুম থাকে। বর্তমানে বাজারে বাইরের জেলার তরমুজ বেচাকেনা হচ্ছে।