সু.খবর ডেস্ক
তামিম ইকবাল যখন ছন্দে থাকেন তখন বোলারদের কিছুই করার থাকে না। তারাও দর্শক বনে যান। গতকাল বিকেএসপিতে কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের বোলারদের এই দশা হয়েছিল। ১২৫ বলে ১৮টি চার ও ৭ ছক্কায় সাজানো ১৫৭ রানের ইনিংসটা উপভোগ করা ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না আশরাফুল-তুষার ইমরানদের সামনে। পঞ্চাশ ওভারের ক্রিকেটে কোনো বাংলাদেশির সর্বোচ্চ ইনিংসও এটি। আগেরটিও তামিমেরই ছিল। নিজের রেকর্ডটিকে আরেকটু উঁচুতে নিলেন তামিম। গতকাল বিকেএসপিতে আরও একটি সেঞ্চুরি হয়েছে। তামিমের মতো এতটা চিত্তাকর্ষক না হলেও প্রাইম ব্যাংকের আল-আমিন দলের বিপদের সময় দারুণ এক সেঞ্চুরি করেছেন। ফতুল্লায় অবশ্য বোলারদের দাপট ছিল
গত লীগে আবাহনীর হয়ে শেষ ম্যাচে প্রাইম ব্যাংকের বিপক্ষে ১৪২ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। এবার ক্লাব বদল করে মোহামেডানের এসেছেন তামিম। তাই বলে তার ফর্মে হেরফের হয়নি। যেন গত মৌসুমে যেখান শেষ করেছিলেন সেখান থেকেই শুরু করলেন তিনি। নিষেধাজ্ঞার কারণে প্রথম ম্যাচটি খেলতে না পারায় হয়তো আরও বেশি খুনে মেজাজে ছিলেন। নিজেকে ছাড়িয়ে নতুন রেকর্ড করে তবেই থামলেন তিনি। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে বাংলাদেশের কোনো ক্রিকেটারের সর্বোচ্চ ইনিংস ছিল তামিমের ১৫৪ রান। ২০০৯ সালে বুলাওয়েতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলেছিলেন ওই ইনিংসটি। গতকাল তামিমের শুরুটা কিন্তু ভীষণ সাবধানী ছিল। প্রথম আট ওভারে কোনো চারই আসেনি তার ব্যাট থেকে। তবে সেট হওয়ার পর ড্রাইভ, কাট, পুল, হুক_ উইকেটের চারদিকে সব ধরনের শট খেলেছেন। ৬১ বলে পেঁৗছান হাফ সেঞ্চুরিতে। সেঞ্চুরিতে পেঁৗছান ১০২ বলে, ১৩টি ও ২টি ছয়ের সাহায্যে। তিন অঙ্কে পেঁৗছার পরই যেন খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসেন তিনি। ২১ বলে করেন পরের ৫৭ রান। তামিম সবচেয়ে বেশি ভুগিয়েছেন আশরাফুলকে। ৭ ছক্কার তিনটিই মেরেছেন তার বলে। একবারও তো বিকেএসপির দেয়াল পেরিয়ে জঙ্গলে গিয়ে পড়ে বল, যা আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। আবুল হাসান রাজুর বলে মারা একটি ছক্কায় মাঠের পাশে থাকা একটি টিভি চ্যানেলের গাড়ির উইন্ডশিল্ড ভেঙে যায়!
তবে তামিম ছাড়া মোহামেডানের আর কোনো ব্যাটসম্যান ভালো করতে পারেননি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৮ রান এসেছে তামিমের ওপেনিং পার্টনার শামসুর রহমান শুভর ব্যাট থেকে। কলাবাগানের সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন তরুণ অফস্পিনার সঞ্জিত সাহা দ্বীপ। তামিমসহ চার উইকেট দখল করেন তিনি। মোহামেডানের ৩০৭ রানের পিছু ধাওয়া করতে নেমে কিন্তু ভালোই লড়াই করেছে কলাবাগান। শুরুটা করেন আশরাফুল, ৪৯ বলে ৪৬ রান করেন তিনি। এরপর তুষার ইমরান ও মাসাকাদজা জোড়া হাফ সেঞ্চুরি করে ভয় ধরিয়ে দিয়েছিলেন মোহামেডান শিবিরে। শেষ পর্যন্ত রাবি্ব-মিরাজদের বিপক্ষে পেরে ওঠেনি কলাবাগান। ২৮৩-তে থামে তারা। ২৪ রানে জিতে মোহামেডান। দুই ম্যাচে এটি তাদের প্রথম জয়।
- ওএমএসের চাল পাচ্ছেন না প্রত্যন্ত গ্রামের লোক- লাইনের আগে যারা থাকেন তারাই পান
- হাওরাঞ্চলে দুর্যোগ- করণীয় নির্ধারণে মতবিনিময় করলেন রাষ্ট্রপতি


