তাহিরপুর প্রতিনিধি
তাহিরপুরে কুপিয়ে যুবককে খুনের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে নিহতর বড় ভাই গোলামনূর ৭ জনকে আসামী করে তাহিরপুর থানায় এ হত্যা মামলাটি দায়ের করেন। মামলা নং ২। এইদিকে ঘটনার ১২ ঘন্টার মধ্যে তাহিরপুর থানার ওসির নেতেৃত্বে পুলিশের একটি টিম অভিযান চালিয়ে মঙ্গলবার রাত ১ টার দিকে তাহিরপুর সীমান্তবর্তী বারেকটিলা থেকে ঘাতক আব্দুল কাদির কে আটক করে পুলিশ। ঘাতক কাদির উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের টেকেরগাঁও (ঘাগটিয়া) গ্রামের মৃত নবীকুলের ছেলে।
প্রসঙ্গত, তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের টেকেরগাওঁ (ঘাগটিয়া) গ্রামের নাসির উদ্দিন ও তার ভাতিজা কাদিরের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে একে অপরের বিরোদ্ধে মামলা মোকাদ্দমাও চলছে। মঙ্গলবার সকালে নাছির উদ্দিন ও তার ছেলে শহীদ নুর বাজার থেকে বাড়িতে ফেরার পথে আগ থেকে হঠাৎ বোজাং (ধারালো অস্ত্র) নিয়ে কাদিরের নেতৃত্বে তার সঙ্গীরা চাচা নাসির উদ্দিন ও চাচাতো ভাই শহীদ নুরের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে বাবা ও ছেলে ঘটনাস্থলেই রক্তাক্ত অবস্থায় পরে থাকে। এক পর্যায়ে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে নিয়ে গেলে এখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসকরা শহীদ নুরকে মৃত ঘোষণা করেন। অপরদিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় শহীদ নুরের পিতা নাছির উদ্দিনক দ্রুত সিলেট এমএ জি উসমানী মেডিকেল কলেজে প্রেরণ করেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত খুন হওয়া শহীদ নূরের পিতা নাসির উদ্দিন উসমানী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।
তাহিরপুর থানার ওসি মো. আতিকুর রহমান জানান, শহীদ নূরের খুনের ঘটনায় নিহতর বড় ভাই গোলামনূর ৭ জনকে আসামী করে তাহিরপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। এ ঘটনার মূল ঘাতক কাদির কে দ্রুত সময়ের মধ্যেই আটক করে বুধবার দুপুরে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।


