আমিনুল ইসলাম, তাহিরপুর
তাহিরপুরে টানা ৬ দিন পর বিদ্যুতের আলো দেখতে পেয়ে বানবাসি মানুষের মুখে এক চিলতে হাসি। বন্যার কারণে তাহিরপুরে ১৫ জুন থেকে টানা ৬ দিন বিদ্যুৎ ও সকল প্রকার ইন্টারনেট সংযোগ না থাকায় জনজীবন বিপন্ন হয়ে গিয়েছিল। সোমবার বিকাল ৩টায় তাহিরপুরে বিদ্যুতের আলো দেখে সকল শ্রেণির মানুষের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। বসতঘরের চারপাশে পানি এমনিতেই অনিরাপত্তহীনতায় জনজীবন অপরদিকে সাপের ভয়, এমন দুচিন্তায় নির্ঘুম রাত কাটাতে হচ্ছে হাওরপাড়ের বানবাসি মানুষদের। বিদ্যুতের কারণে ফ্রিজে সংরক্ষিত মাছ, মাংস নিকটাত্মীয় ও প্রতিবেশীদের বিলিয়ে দিতে হয়েছে অনেক পরিবারের। বাজারের অনেক আইসক্রীম ব্যসায়ীদের ফ্রিজে সংরক্ষিত আইসক্রিম পানির সাথে একাকার হয়ে বিনষ্ট হয়ে গেছে।
ভাটি তাহিরপুর গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সেনা মহসিন মিয়া বলেন, বিদ্যুৎ না থাকায় তাহার ফিজে সংরক্ষিত মাছ মাংস তিনি স্বজনদের বিলিয়ে দিয়েছেন। এ বক্তব্য শুধু মহসিন মিয়ারই নয় এ বক্তব্য উপজেলার সকল মানুষের।
তাহিরপুর বাজারের সেভয় আইসক্রিম এর এজেন্ট মুতাকাব্বির মিয়া বলেন, বিদ্যুৎ না থাকায় তার সকল আইসক্রিম বিনষ্ট হয়ে গেছে।
তাহিরপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কাজী মাসুদুর রহমান বলেন, জুন মাস আর্থিক বছরের শেষ মাস। এ মাসে আমাদের অনেক কাজ থাকে। বন্যা, লোডসেডিং সব মিলিয়ে তাদেরকে অনেক ঝামেলায় ফেলে দিয়েছে।
তাহিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী মো. ইকবাল কবির বলেন, আমাদের উন্নয়ন অবকাঠামোর অনেক কাজ চলমান ছিল একদিকে বন্যা অরেকদিকে টানা লোড সেডিং সব মিলিয়ে এলজিইডি অফিসের অনেক ক্ষতি হয়েছে।
- সুনামগঞ্জে নিত্যপণ্যে জুলুমবাজি/বানভাসিদের উপর মরার ওপর খাঁড়ার ঘা
- পনেরশ’ বসতবাড়ির চৌদ্দ’শ ছিয়ানব্বই টিরই ছাল ছুঁয়েছে/ খাদ্য ও পানি সংকট এলাকায় এলাকায়


