তাহিরপুর প্রতিনিধি
তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান, ওয়ার্ড সদস্য ও ট্যাগ অফিসার বাড়ী বাড়ী গিয়ে দূরত্ব বজায় রেখে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ও সংকটকালীন সময়ে অতি দরিদ্র, দিনমজুর, কর্মহীন বেকার ও অসচ্ছল ব্যক্তিদের মানবিক সহায়তার বরাদ্ধের চাল বিতরণ করেছেন। রবিবার দুপুরে ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের ১০জনকে ১০কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়। এ সময় চালের সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান খসরুল আলমের ব্যাক্তিগত তহবিল থেকে ১কেজি করে মসুর ডাল ও ১ কেজি আলু বিতরণ করা হয়। এসব বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন, শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান খসরুল আলম, উপজেলা ট্যাগ অফিসার বিপ্লব সরকার, ওয়ার্ড সদস্য শফিকুল ইসলাম, হাসান মিয়া, আবুল কালাম, নুরুল আমীন, জম্মত আলী, আলী হোসেন, সুধাংশু দাস, আব্দুল আলীম, সখিনা বেগম, মিনারা বেগম, ইউনিয়ন পরিষদ সচিব ভূপতি ভূষণ দাস, বদিউজ্জামান, সিরাজ মিয়া, উদ্যোক্তা আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।
এদিকে দুপুরে উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় প্রতিটি দরিদ্র পরিবারের মাঝে ১০ কেজি চাল,১কেজি ডাল,২কেজি আলু ও একটি লাইফবয় সাবান বিতরণ করেন তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিজেন ব্যানার্জী। এ সময় তার সাথে ছিলেন বাদাঘাট ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আলী আহমদ,তদারকী কর্মকর্তা রমাকান্ত দেবনাথ,সমবায় অফিসের পরিদর্শক ফয়সল আহমদ। অপরদিকে বালিজুড়ি ইউনিয়নের বিভিন্ন পাড়া মহল্লাতে গিয়ে কর্মহীন হয়ে পড়া দরিদ্র পরিবারের মাঝে বাড়ি বাড়ি গিয়ে চাল ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশ সদস্যরা।
অপরদিকে তাহিরপুরে বালু পাথর ব্যবসায়ী ও লাউড়েরগড় বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রইছ উদ্দিনের ব্যাক্তিগত উদ্যোগে করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাব ও সংকটকালীন সময়ে অতি দরিদ্র, দিনমজুর, কর্মহীন বেকার ও অস্বচ্ছল ব্যক্তিদের মধ্যে বাড়ি বাড়ি গিয়ে চাল, ডাল, ও পেয়াজ বিতরণ করেছেন। বিকেলে তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের পুরানলাউড়, লাউরগড়, ডালারপাড়, ছড়ারপাড়, মনাইপাড় ও সাহিদাবাদ, লাউড়েরগড় হাইস্কুলহাটি সহ ৭টি গ্রামের ১৩০টি পরিবারের মধ্যে প্রতি পরিবারে ৫কেজি চাল, ২৫০শ গ্রাম ডাল, ৫০০শ গ্রাম পেয়াজ বিতরণ করা হয়। ৭টি গ্রামের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ব্যবসায়ী রইছ উদ্দিন নিজ হাতে এসব খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন, ব্যবসায়ী আব্দুল কাইয়ুম, আব্দুল জব্বার প্রমুখ।
ব্যবসায়ী রইছ উদ্দিন জানান, আমার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে এসব খাদ্যসামগ্রী সহায়তা করেছি। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে সাধ্য অনুযায়ী আরো কয়েকটি গ্রামে এসব খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হবে।


