স্টাফ রিপোর্টার, তাহিরপুর
তাহিরপুর বাজারে একমাত্র গণশৌচাগারটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। তবে বাজারের সাধারণ ব্যবসায়ীরা বলছেন,বাজার বণিক সমিতি নেতৃবৃন্দ সামান্য উদ্যোগ নিলেই এটি সমাধান হয়ে যেতো। বাজারের ব্যবসায়ী ও টাঙ্গুয়া হাওরে আগত পর্যটকদের সুবিধার্থে ২০১৭ সালে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক ৩ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ গণশৌচাগারটি এখন ব্যবহারের একেবারেই অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ২০২১ সালের এপ্রিল মাসে কালবৈশাখীর ঝড়ে শৌচাগারের উপর বসানো পানির ট্যাংকটি পার্শ্ববর্তী একটি ভাগারে পড়ে রয়েছে। অপরদিকে শৌচাগারের সিঁড়িগুলোও খসে নীচে পড়ে আছে। ইচ্ছা করলেও কেউ শৌচাগারের ভিতরে প্রবেশ করতে পারবে না। এতে করে প্রায় ৯ মাস ধরে তাহিরপুর বাজারে আগত ক্রেতা বিক্রেতা ও টাঙ্গুয়ার হাওরে আগত পর্যটকগণ পয়নিস্কাসনে রয়েছেন মারাত্মক সমস্যায়। বাংলাদেশ কান্ট্রি ট্যুরিজমের এডমিন রাসেল ভূইয়া বলেন, তিনি প্রতিনিয়ত ভ্রমণপিপাসু পর্যটকদের নিয়ে তাহিরপুরে এসে পড়েন সমস্যায়। দেশের অন্য কোন পর্যটন এলাকাতে ভ্রমণকারীদের নিয়ে পয়নিস্কাশনের কোন সমস্যায় পড়েন না। কেবল টাঙ্গুয়ার হাওরে এলেই তিনি এ ধরনের সমস্যায় পড়েন।
তাহিরপুর বাজার বণিক সমিতির সাবেক সভাপতি দিলীপ কুমার চন্দ বলেন, ২০১৭ সালে বাজারের ব্যবসায়ীগণের বিশেষ অনুরোধে সাবেক র উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল এর সহযোগিতায় তাহিরপুর বাজারের গণশৌচাগারটি নির্মাণ করা হয়েছিল।
তাহিরপুর বাজারের ব্যবসায়ী অমিত রায় বলেন,বাজারের ব্যবসায়ীদের পয়নিস্কাসনের সমস্যা হলে তারা সবাই যার যার সুবিধামত স্থানে গিয়ে তা সমাধান করে আসেন।
তাহিরপুর বাজার বণিক সমিতির বর্তমান সভাপতি আবিকুল ইসলাম বলেন, বাজারের ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের সুবিধার জন্য গণশৌচাগারটি নির্মাণ করা হয়েছিল। বিগত এপ্রিল মাসে কালবৈশাখীর ঝড়ে পড়ে শৌচাগারের উপর পানির ট্যাংকটি পার্শ্ববর্তী ভাগারে পড়ে যায়। পরে আর এটি মেরামতের কেউ উদ্যোগ নেয়নি।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর তাহিরপুর এর উপসহকারী প্রকৌশলী আল আমিন বলেন, তাহিরপুর বাজারের গণশৌচাগারটি কবে নির্মাণ করা হয়েছিল তা আমার জানা নেই। তবে তাহিরপুর বাজারে আর একটি গণশৌচাগার নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।


