আমিনুল ইসলাম, তাহিরপুর
তাহিরপুর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ তাহিরপুর-বাদাঘাট সড়কটি চলাচলের একেবারেই অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। যানবাহন চলাচল দূরের কথা, হেঁটেও চলা দায়।
উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের ৩ লক্ষাধিক জনগোষ্ঠী এ রাস্তাটি ব্যবহার করে। এ বছর বন্যার আগে কার, জিপ, লাইটেস, মোটরবাইকসহ সব ধরনের যান্ত্রিক গাড়ি এ রাস্তায় ব্যবহার করা যেত। কিন্তু ভয়াবহ ৫ম দফা বন্যার কারণে হেঁটেও চলাচল করা দুরূহ হয়ে পড়েছে।
উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের মধ্যে তাহিরপুর সদর, বালিজুড়ি, শ্রীপুর দক্ষিণ, শ্রীপুর উত্তর ও দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়ন হাওর এলাকায় অবস্থিত। বর্ষাকালে হাওরপাড়ের সবাই নৌকাযোগে বাদাঘাট বাজারে আসা-যাওয়া করে। হেমন্তকালে সাধারণত হাওরপাড়ের লোকজন হেঁটে কিংবা মোটরবাইকে এক স্থান থেকে অন্যস্থানে যাতায়াত করে থাকে।
তাহিরপুর বাজারের সবজি ব্যবসায়ী শাহানশাহ মিয়া বলেন, বাদাঘাট বাজার থেকে পাইকারি দরে কিনে এনে তাহিরপুর বাজারে সবজি বিক্রি করেন। বর্তমানে তারা সবজি কিনে নৌকাযোগে তাহিরপুর বাজারে নিয়ে আসেন। তিনি জানান, ১৫ দিন পর তাদের আর নৌ-যোগাযোগ থাকবে না। অথচ তাহিরপুর-বাদাঘাট সড়কে বেশ কয়েক জায়গায় ভাঙা। এ অবস্থায় সড়কটি চলাচলের উপযোগী না করলে ব্যবসা-বাণিজ্যের মারাত্মক ক্ষতি হবে। রাস্তায় চলাচলকারীদেরও খুব অসুবিধায় পড়তে হবে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) তাহিরপুরের উপসহকারী প্রকৌশলী ফজলুল হক বলেন, সাম্প্রতিক বন্যায় তাহিরপুর-বাদাঘাট সড়কে হাসপাতালের সামনের রাস্তা থেকে জয়নাল আবেদীন ডিগ্রি কলেজ পর্যন্ত ভাঙা। এসব স্থান ঢালাই করতে হবে। বাকি অংশটুকুর অনুমোদন মেলেনি।
তাহিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী ইকবাল কবির বলেন, তাহিরপুর-বাদাঘাট সড়কটি চলাচলের জন্য শিগগিরই মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পদ্মাসন সিংহ বলেন, তাহিরপুর-বাদাঘাট সড়কটি সরেজমিন পরিদর্শন করে মেরামতের ব্যবস্থা করা হবে।


