স্টাফ রিপোর্টার
গত বছরের তুলনায় বাজারে আনারসের দাম প্রায় দ্বিগুণ। আনারসের দাম বাড়ার কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, বেশী দামে কিনে আনতে হচ্ছে, তাই দামও বেশী। জানা যায়, খুচরা ব্যবসায়ীরা ছোট আনারসের পিস বিক্রি করছেন ৫০ টাকা এবং বড় আকারের আনারসের পিস বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়।
আলফাত স্কয়ার এলাকায় জমিরুল বেগম বলেন, প্রতি হালি আনারস ২৫০-২৮০ টাকা চাচ্ছেন বিক্রেতারা। অনেক হাঁটাহাঁটি এবং দরকষাকষির পর এক জোড়া অনারস ১০০ টাকায় কিনেছি। তিনি বলেন, বছরে নতুন নতুন ফল কিনে সন্তানদের খাওয়াতে হয়। আজকে বাজার সদাই করতে শহরে এসেছি। সন্তান, নাতি, নাতনির জন্য আনারস কিনতে অনেক দোকানে গিয়েছি। গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণ দাম, হাতে টাকাও কম। এক হালি আনারস ২৫০-৩০০ টাকা চায়। পরে এক দোকান থেকে ১০০ টাকায় এক জোড়া কিনেছি।
গৌরারং গ্রামের ফুরকান উদ্দিন বলেন, অনেক দরাদরি করে এক জোড়া আনারস ১২০ টাকায় কিনেছি। এই বছর আনারসের দাম খুব বেশি।
মৌসুমি ফল বিক্রেতা ইব্রাহীমপুরের সুমন মিয়া বলেন, গত তিন দিন ধরে আনারস বিক্রি করছি। ব্যবসা মান্দা। একদিকে আমরা বেশি দরে কিনে আনতে হচ্ছে আনারস। অন্যদিকে বৈশাখ মাসে বাজারে মানুষ কম। এইজন্য বিক্রিও কম।
সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গ্রামের ফল ব্যবসায়ী মোস্তফা বলেন, আমি মধুপুরি আনারস বিক্রি করছি। দাম বেশি হলেও আমি চেষ্টা করি কম লাভে বিক্রি করতে। কম লাভে বিক্রি করায় আমার দোকানে ক্রেতা বেশি আসেন, বিক্রিও বেশি হয়।
মুক্তারপাড়ার আড়ৎদার শামসুল ইসলাম বলেন, আমরা হকারদের কাছে দুই সাইজের আনারস দিচ্ছি। ছোট সাইজটা প্রতি পিস ৪৫ টাকা দরে দিচ্ছি, বিক্রি করবে ৫০ টাকা দরে। বড় সাইজটা ৫৫ টাকা দরে দিচ্ছি, বিক্রি করবে ৬০ টাকা দরে।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আল আমিন বলেন, সুনামগঞ্জের আনারস যেহেতু নেই, সেহেতু দাম একটু বেশি হবেই। ব্যবসায়ীরা শ্রীমঙ্গল থেকে আনারস এনে বিক্রি করছেন। সেখানেও রয়েছে সিন্ডিকেট। সুনামগঞ্জেও একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বেশি লাভে বিক্রি চলছে। তবে আমরা তদারকি করছি। আপনারাও সহযোগিতা করবেন। যদি অতিরিক্ত দামে বিক্রির প্রমাণ মিলে তাহলে আইনের আওতায় আনা হবে।
- যমুনা টিভির সাংবাদিকের উপর হামলা
- সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাব ভবন নির্মাণে একলক্ষ টাকা অনুদান দিলেন জেলা প্রশাসক


