স্টাফ রিপোর্টার
মরমি কবি হাসন রাজার ১৬৫ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার সুনামগঞ্জে দিনব্যাপী হাসনরাজার গান, নৃত্য ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা হয়েছে। হাসন রাজা ট্রাস্ট শহরের জেলার শিল্পকলা একাডেমির হাসনরাজা মিলনায়তনে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।
বৃহস্পতিবার সকালে এই প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সুনামগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম। প্রতিযোগিতায় জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের ১৫০ জন প্রতিযোগী অংশ নেন।
হাসন াজা ট্রাস্টের সভাপতি দেওয়ান ইমদাদ রেজা চৌধুরী’র সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন- সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসমিন নাহার রুমা, সুনামগঞ্জ পৌর কলেজের অধ্যক্ষ মো. শেরগুল আহমেদ, সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি পঙ্কজ কান্তি দে, সুনামগঞ্জ সরকারি সতীশ চন্দ্র বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাফিজ মো. মাশহুদ চৌধুরী, জেলা শিল্পকলা একাডেমির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দেবদাস চৌধুরী রঞ্জন, সংগীত শিল্পী ও প্রশিক্ষক রূপশ্রী রায়, জেলা উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, জেলা গীতিকার ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অরুণ তালুকদার, লোকদল শিল্পীগোষ্ঠীর সভাপতি বিধান চন্দ্র বণিক প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রতিযোগিতার সমন্বয়কারী দেওয়ান গিয়াস চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, হাসনরাজার গানে আধ্যাত্মিকতার প্রভাব যেমন রয়েছে, তেমনি মানবপ্রেমের জয়গানও গেয়েছেন তিনি। ভোগ-বিলাসই জীবনের সব কিছু নয়, এটা হাসনরাজার জীবন থেকে আমরা শিক্ষা পাই। এক সময়ের জমিদার হাসন রাজা পরে সব কিছু ছেড়ে নিজেকে সৃষ্টিকর্তার কাছে, মানুষের কাছে সঁপে দেন। মানবধর্মই হয়ে ওঠে তাঁর সৃষ্টি-কর্মের মূল সাধনা। নতুন প্রজন্মের কাছে হাসনরাজার জীবন-দর্শন তুলে ধরতে হবে। সুরধারা ঠিক রেখে তাঁর সৃষ্টিকে ধরে রাখতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে হবে।
- দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকার সরকারি মিডিয়া তালিকাভূক্তি বাতিল
- জাপার কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান হলেন পীর মিসবাহ


