‘দেশকে অস্থিতিশীল করতে একটি মহল কাজ করছে’

স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জ ৫ আসনের সংসদ সদস্য মহিবুর রহমান মানিক এমপি বলেছেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে একটি মহল কাজ করে যাচ্ছে। দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি নিয়ে উস্কানি দিয়ে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায় এরা। যেসব দেশে পানির চেয়ে তেলের দাম কম ছিল সেসব দেশেও এখন তেলের দাম বেশি। সেই তুলনায় আমাদের দেশের তেল ও দ্রব্যমূল্যের দাম এখনও সহনীয় পর্যায়ে আছে।
রবিবার বিকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমির হাছন রাজা মিলনায়তনে জেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার থাকলে দেশের উন্নয়ন হয়। মিথ্যাচার করে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার কোন ক্ষতি করতে পারবে না কেউ। আওয়ামী লীগ সরকার যে কোন অপশক্তিকে রুখে দিতে সবর্দা তৎপর রয়েছে। তিনি বলেন, বিএনপির দেশের অর্থনৈতিকে নষ্ট করার জন্য অতীতেও কাজ করেছে এখনও কাজ করে যাচ্ছে।
জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি অ্যাড. আফতাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম. এনামুল কবির ইমন। তিনি বলেন, তারেক রহমান বিদেশে বসে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধুর সম্পর্কে মিথ্যাচার করছে। যারা দেশের বিরুদ্ধে কাজ করেছে তাদের এই বাংলার মাটিতে রাজনৈতি করার কোন সুযোগ দেওয়া ঠিক হবে না। আমাদের দেশের বিরুদ্ধে যে সকল শক্তি কাজ করেছে তাদের এই বাংলার মাটিতে বিচার করা উচিত।
জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক অ্যাড. নূরে আলম সিদ্দিকী উজ্জ্বলের পরিচালনায় প্রতিবাদ সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি অ্যাড. খায়রুল কবির রুমেন, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. নান্টু রায়, অ্যাড. হায়দার চৌধুরী লিটন, জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক শাহ আবু নাসের, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোবারক হেসেন, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. মলয় চক্রবর্তী রাজু, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রফিক আহমেদ চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আতিকুল ইসলাম আতিক, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট কমান্ডের সাবেক কমান্ডার মো. নূরুল মোমেন, সাবেক ছাত্রনেতা অ্যাড. আক্তারুজাম্মান সেলিম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগ, যুবলীগ, কৃষক লীগ, বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ সহ আওয়ামী এবং বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।