আশিক মিয়া, দোয়ারাবাজার
দোয়ারাবাজার উপজেলায় পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় তলিয়ে গেছে উপজোলার সাথে যোগাযোগের সবকটি সড়ক। পানি বন্দি হয়েছে প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রামের লোকজন। এতে ফসল রাস্তা—ঘাট ও জানমালের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার আশংকা করা যাচ্ছে। গত কয়েকদিনে একটানা মুষলধারে বৃষ্টিপাত এবং ভারত থেকে পানি নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সোমবার রাত থেকে সুরমা, খাসিয়ামারা, ও চিলাই নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
ইতোমধ্যে দোয়ারাবাজার উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের মধ্যে ৬টি ইউনিয়নের অধিকাংশ মানুষ পানিব›দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো হলো দোয়ারাবাজার সদর ইউনিয়নের দোয়ারাবাজার সদর ইউনিয়নের, বাঘড়া, বড়বন্দ, সুন্দরপই, মাইজখলা, তেগাংঙ্গা, পুর্ব ও পশ্চিম মাছিমপুর, মাঝেরগাঁও, নৈনগাঁও, পরমেশ্বরীফপুর, লামাশানিয়া। সুরমা ইউনিয়নের, ভুজনা, শরীফপুর, কালিকাপুর, কদমতলী, নুরপুর, সোনাপুর, ইসলামপুর, বৈঠাখাই, উমরপুর, খাগুড়া, জিয়াপুর। মান্নারগাঁও ইউনিয়নের আজমপুর, ডুলপশী, বাজারগাও, জলালপুর।
এদিকে বন্যার কারণে উপজেলার অধিকাংশ এলাকার গ্রামীণ রাস্তা—ঘাট তলিয়ে গেছে। বহু শিক্ষা—প্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে পড়ার কারণে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। পর্যন্ত ছাতক দোয়ারার একমাত্র সড়ক ও উপজেলার উপজেলা সদরের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে সুরমা ইউনিয়ন, বোগলা বাজার ইউনিয়ন, লক্ষিপুর ইউনিয়ন, বাংলাবাজার ইউনিয়ন ও নরসিংপুর ইউনিয়নের।
দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেবাংশু কুমার সিংহ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আম্বিয়া আহমদ ও উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক ক্রিড় সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আবুল মিয়া বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও প প কর্মকর্তা ডা. আবু ছালেহীন খান বলেন, দোয়ারাবাজারে বন্যা পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। এতে পানিবাহিত রোগ যেমন টাইফয়েড, জন্ডিস, ডায়রিয়া জর সর্দি, কাশি হতে পারে। সবাইকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। শিশুদের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে।


