দোয়ারাবাজারে ভাঙ্গা বেড়িবাঁধ ডুবিয়েছে ফসলী জমি

দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি
দোয়ারাবাজার উপজেলায় পাহাড়ী ঢল আর অতি বৃষ্টিতে সুরমা ইউনিয়নের রাবার ডাম্প পার্শবর্তী মহব্বতপুর বাজার সহ কয়েকটি গ্রাম পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। খাসিয়ামারা নদির উপর স্থাপিত রাবার ডাম্পের ভাঙ্গা বেড়ি বাঁধের মেরামত না করায় প্রতিবারের ন্যায় শনিবার ভোর রাতে আকষ্মিকভাবে তলিয়ে গেছে মহব্বতপুর বাজার, আশ পাশের গ্রাম সহ রোপা আমন ধান ক্ষেত ও বীজতলা। পাহাড়ী ঢলে প্লাবিত হচ্ছে উপজেলার নি¤œাঞ্চল। এবার উপজেলার রাস্তাঘাট সহ রোপা আমন ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে যাচ্ছে ৩য় বারের মতো। বর্তমানে পানি বন্দি রয়েছে ইউনিয়নের মহব্বতপুর বাজার, মহব্বতপুর গ্রাম, মারপশি, খাগুরা, জিয়াপুর, মিরপুর, টিলাগাঁও,        
শিমুলতলা, রাজনগর, কাউয়াগড় ও উমরপুর।
এদিকে সুরমা ইউনিয়নের রাবার ডাম্পের ভাঁঙ্গা বেড়ি বাঁধ দিয়ে প্রতিবারের পাহাড়ি ঢলের পানি ঢুকায় মহব্বতপুর বাজার সহ বাজারের সকল দোকান পাট পানির নিচে তলিয়ে গেছে।
ইউনিয়নের খাগুরা গ্রামের অটোমিলের মালিক ও মাছ চাষি মো. সোহেল মিয়া বলেন, ‘শনিবার ভোর রাতে হঠাৎ করে রাবার ডাম্প এলাকার ভাঙ্গা বেড়ি বাঁধের অংশ দিয়ে পানি ঢুকে আমাদের এলাকা তলিয়ে যায়। প্রথম পানির সময় আমার পুকুরের বাঁধের উপর দিয়ে পানি ঢুকে সকল মাছ ভেসে যায়। পানি কমার সাথে সাথে পুনরায় পুকুরে দেড় লক্ষ টাকার মাছের পোনা ছাড়া হয়েছিল। কিন্তু এবারের পাহাড়ি ঢলের পানিতে আবারও সব ভেসে গেছে।
উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মো. ইদ্রিস আলী বীরপ্রতীক বলেন, ‘অতিবৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের রাবারডাম্প ও আশপাশ এলাকার সকল রোপা আমন ক্ষেত ও বীজতলা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পর পর বন্যায় আমাদের এলাকাটি জলমগ্ন হওয়াতে আমরা বিপর্যয়ে মধ্যে পড়েছি। বিশেষ করে খাসিয়ামারা নদীর দুই তীরের লোকজন বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। ভবিষ্যতে যাতে এই ক্ষতি থেকে দুই তীরের লোকজন রক্ষা পায় সেই লক্ষে রাবারডাম্প প্রশস্ত করে বেড়িবাঁধ মজবুত করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।’