দোয়ারায় ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার
দোয়ারাবাজার উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য তাজির উদ্দিনের বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে রেকর্ডিয় জমিতে প্রধানমন্ত্রীর উপহার আশ্রয়হীণদের ঘর তৈরী করে দেয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। গত ২০ জানুয়ারি এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন সদর ইউনিয়নের বরবন্দ গ্রামের আব্দুল খালেকের পুত্র আব্দুল আজিজ।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, সদর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য তাজির উদ্দিন প্রতিটা ঘর নির্মাণ করার আগেই উপকার ভোগীদের কাছ থেকে ৩৫ থেকে ৪৫ হাজার টাকা নিয়েছেন। প্রভাব খাটিয়ে আব্দুল আজিজের রেকর্ডিয় জায়গায় জোর পূর্বক একই গ্রামের বাবুল মিয়াকে ঘর তৈরী করে দিয়েছেন। এমনকি যারা সচ্ছল, যাদের পরিবারের লোকজন বিদেশে আছেন তাদেরকেও ঘর দেয়া হয়েছে। ইউপি সদস্যের ভাই প্রবাসী ফয়জুল আমিন এবং আরেক ভাই কামরুজ্জামান বাজারে যার কাপড়ের বড় দোকান রয়েছে তার পুত্র মিজানকেও ঘর দেয়া হয়েছে।
আন্দুল আজিজ বলেন, ইউপি সদস্য তাজির উদ্দিনের প্রভাবে এলাকার কেউ মুখ খুলতে রাজি নয়। আমার রেকর্ডিয় জায়গায় সে আমার মামলা জনিত জায়গায় বাবুল মিয়াকে ঘর বানিয়ে দিয়েছে। আমি এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত অভিযোগ করার পর তাজির মেম্বারও তার ভাই ভাতিজা আমাকে আজাদ হোটেলে ডেকে নিয়ে অভিযোগ তুলে আনার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। এরপর আমরা দুই ভাইকে বেধড়ক মারপিট করেছে।
এ ব্যাপারে ইউপি সদস্য তাজির উদ্দিন বলেন, রেকর্ডিয় আর খাস জায়গা নির্ণয় করেছেন ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার ও কানোঙ্গো। আমি ঘর তৈরী করেছি। আমি কারো কাছ থেকে টাকা পায়সা নেইনি। যে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে, সেই টাকায় ঘর হয় না। সেজন্য উপকারভোগীদের বলা হয়েছে পরিবহন খরচ তারা বহন করার জন্য।
এ ব্যাপারে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও ঘর নির্মাণ উপজেলা কমিটির সদস্য সচিব আম্বিয়া আহমদ বলেন, সরকারি যে টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে সেই টাকার বাইরে কোন উপকারভোগীর কাছ থেকে টাকা নেয়ার সুযোগ নেই। যদি টাকা নেয়ার বিষয় প্রমাণিত হয় আমরা তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। রেকর্ডিয় জায়গায় ঘর দেয়ার কোন সুযোগ নেই।