দোয়ারায় কাজ শুরু করতেই গড়িমসি

আশিক মিয়া, দোয়ারাবাজার
দোয়ারাবাজার উপজেলায় অতিদরিদ্রদের কর্মসৃজন কর্মসূচির মোট ৪৯টি প্রকল্পের অধিকাংশ প্রকল্পের কাজই শুরু করা হয়নি। পহেলা জানুয়ারি থেকে ৪৯টি প্রকল্পের কাজ শুরু করার কথা থাকলেও বৃহস্পতিবার পর্যন্ত অধিকাংশ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়নি। কবে নাগাদ শুরু করা হবে, তা এখনো প্রকল্পের সুবিধাভোগীরা জানেন না।
এলাকাবাসীর দাবি ২-১ দিনের ভিতরে জমিতে বোর ধান রোপন শুরু হবে। তখন প্রকল্পের কাজের জন্য মাটি পাওয়া যাবে না। এই সুযোগে প্রকল্পের টাকা হরিলুট করার পায়তারা চলছে।
দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সুত্রে জানা যায়, ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে প্রথম পর্যায়ে অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসৃজন কর্মসূচীর অধীনে ১ কোটি ২৩ লক্ষ ৪ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ৯ ইউনিয়নে ৪৯টি প্রকল্পের বিপরীত ১৫৩৮ জন শ্রমিকের জন্য এই বরাদ্দ দেয়া হয়।
১ নম্বর বাংলাবাজার ইউনিয়নে ৭টি প্রকল্পে ২১০ জন শ্রমিকের বিপরীতে ১৬ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। উস্তিংগেরগাঁও পাকা সড়কের উভয় পাশে মাটি ভরাট ২৫ জন শ্রমিকের বিপরীতে ২ লক্ষ টাকা, বাংলাবাজার হতে ভোলাখালী পর্যন্ত পাকা সড়কের উভয় পাশে মাটি ভরাটের জন্য ২৫ জন শ্রমিকের বিপরীতে ২ লক্ষ টাকা, শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয় হতে আননপাড়া ঈদগাহ মাঠ পর্যন্ত পাকা সড়কের উভয় পাশে মাটি ভরাট কাজে ২৫ জন শ্রমিকের বিপরীতে ২লক্ষ টাকা, বৃটিশ পয়েন্ট হতে বাংলাবাজার পর্যন্ত পাকা সড়কের উভয় পাশে মাটি ভরাটে ২৫ জন শ্রমিকের বিপরীতে ২ লক্ষ টাকা, আলমখালী মসজিদ হতে হকনগর বাজার পর্যন্ত পাকা সড়কের উভয় পাশে মাটি ভরাটের জন্য ৬০ জন শ্রমিকের বিপরীতে ৪ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা, বাংলাবাজার হতে ঘিলাতলী নদীর ব্রীজ পর্যন্ত পাকা সড়কের উভয় পাশে মাটি ভরাট কাজে ২৫ জন শ্রমিকের বিপরীতে ২ লক্ষ টাকা, মৌলানদীর ব্রীজ হতে হকনগর বাজার পর্যন্ত পাকা সড়কের উভয় পাশে মাটি ভরাটে ২৫ জন শ্রমিকের বিপরীতে ২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।
বাংলাবাজার ইউপি চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন জানালেন, আগামী সপ্তাহে কাজ শুরু করবেন তারা।
২নম্বর নরসিংপুর ইউনিয়নে ৫টি প্রকল্পে ২২০জন শ্রমিকের বিপরীতে ১৭ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। খাইরগাও চাইরগাও যোগাযোগ সড়কের মোড় হতে নতুন ব্রীজ পর্যন্ত মাটি ভরাট এবং নাছিমপুর- সোনাপুর যোগাযোগ সড়কের মাটি ভরাট ৫০জন শ্রমিকের বিপরীতে ৪ লক্ষ টাকা, নরসিংপুর গরুর বাজার মাটি ভরাট ও ঘিলাছড়া মসজিদ হইতে পাকার মোড় পর্যন্ত মাটি ভরাট ৪৫ জন শ্রমিকের বিপরীতে ৩ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা, রাগিব-বারেয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাট ৫০ জন শ্রমিকের বিপরীতে ৪ লক্ষ টাকা, সিরাজপুর গ্রামের বড় সড়কের পাকার মোড় হতে তবারক মড়লের বাড়ী পর্যন্ত মাটি ভরাটে ৩৭জন শ্রমিকের বিপরীতে ২ লক্ষ ৯৬ হাজার টাকা, শ্যামারগাঁও ব্রিজের পূর্ব সাইট হতে পাকার মোড় পর্যন্ত ভরাট ও রহিমের পাড়া ব্রীজের সাইট ভরাট এবং উত্তর শ্রীপুর মুজেফরের বাড়ী হতে রশিদের বাড়ি পর্যন্ত মাটি ভরাট ৩৮জন শ্রমিকের বিপরীতৈ ৩লক্ষ ৪ হাজার টাকা।
নরসিংপুর ইউপি চেয়ারম্যান নুর উদ্দিন আহমেদ জানান, ৫টি প্রকল্পের মধ্যে ৩টি শেষ করেছি, ১টি চলমান, আর ১টি আগামীকাল শুরু করবো।
৩ নম্বর দোয়ারাবাজার সদর ইউনিয়নে ৫টি প্রকল্পে ১৩৮ জন শ্রমিকের বিপরীতে ১১ লক্ষ ৪ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। নৈনগাঁও হিন্দুপাড়ার সড়কে মাটি ভরাটে ৩২ জন শ্রমিকের বিপরীতে ২লক্ষ ৫৬ হাজার টাকা, পরমেশ্বরীপুর বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাটে ২৫ জন শ্রমিকের ২ লক্ষ টাকা, পূর্ব মাছিমপুর গ্রামের মসজিদের পিছনে কবরস্থানে মাটি ভরাট ২৫ জন শ্রমিকের বিপরীতে ২ লক্ষ টাকা, পশ্চিম মাছিমপুর নছরের বাড়ি হতে মখনের বাড়ী ভায়া লতিফের বাড়ী পর্যন্ত সড়ক নির্মাণে ৩১ জন শ্রমিকের বিপরীতে ২ লক্ষ ৪৮ হাজার টাকা, গুচ্ছগ্রাম হতে মাদ্রাসা ভায়া গোলাম কাদিরের বাড়ী পর্যন্ত সড়কের মাটি ভরাট ২৫ জন শ্রমিকের বিপরীতে ২লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়।
দোয়ারাবাজার সদর ইউপি চেয়ারম্যান এম এ বারী জানান, ৫টি প্রকল্প’এর ৩টি’র কাজ চলমান, ২টি আগামীকাল শুরু করা হবে।
৪ নম্বর মান্নারগাও ইউনিয়নে ৭টি প্রকল্পে ১৯০ জন শ্রমিকের বিপরীতে ১৫ লক্ষ ৫২ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
শ্যামলবাজার বাঁধ মেরামত ২৫ জন শ্রমিকের বিপরীতে ২লক্ষ টাকা, আজমপুর ক্লাবঘর হতে উত্তরমুখী সড়ক মেরামতে ২৫ জন শ্রমিকের বিপরীতে ২ লক্ষ টাকা, জালালপুর শাহজালাল মসজিদ হতে মুক্তার আলীর বাড়ীমুখী সড়ক নির্মাণে ২৫ জন শ্রমিকের বিপরীতে ২ লক্ষ টাকা, গোপালপুর মাদ্রাসা হতে সাউদেরগাঁওমুখী সড়ক মেরামতে ২৫ জন শ্রমিকের বিপরীতে ২ লক্ষ টাকা, রামপুর আতর আলীর বাড়ী হতে নুর ইসলামের বাড়ীমুখী সড়ক নির্মাণে ৪৪ জন শ্রমিকের বিপরীতে ৩ লক্ষ ৫২ হাজার টাকা, ছাতক-সুনামগঞ্জ সড়ক হতে যোগীরগাঁও বরকতের বাড়ীমুখী সড়ক মেরামতে ২৫ জন শ্রমিকের বিপরীতে ২ লক্ষ টাকা, বদরপুর দক্ষিণপাড়া মসজিদের পেছন হতে মোড়ামুখী সড়ক মেরামতে ২৫ জন শ্রমিকের বিপরীতে ২লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়।
মান্নারগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা আজিজ মোবাইল রিসিভ না করায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
৫ নম্বর পান্ডারগাঁও ইউনিয়নে ৬টি প্রকল্পে ১৮০ জন শ্রমিকের বিপরীতে ১৪ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলপুর বাজার হতে সাবাজ আলীর বাড়ী পর্যন্ত সড়কের দুই পার্শে মাটি ভরাটে ২৫ জন শ্রমিকের বিপরীতে ২ লক্ষ টাকা, সোনাপুর আজমান আলীর বাড়ি হতে ফরিদের বাড়ী হয়ে ব্রীজের মুখ পর্যন্ত সড়ক পুনঃনির্মাণে ৩০ জন শ্রমিকের বিপরীতে ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা, পান্ডারগাঁও প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে সোহেলের বাড়ী পর্যন্ত সড়ক পুনঃনির্মাণ ২৫ জন শ্রমিকের বিপরীতে ২ লক্ষ টাকা, নলুয়া আব্দুস ছুবহানের বাড়ী হতে মসজিদের সড়ক পুনঃনির্মাণ ২৫ জন শ্রমিকের বিপরীতে ২ লক্ষ টাকা, শ্রীপুর বাজার স্ট্যান্ড হতে পলিরচর ইলিয়াসের বাড়ী পর্যন্ত সড়কের মাটি ভরাটে ৩২ জন শ্রমিকের বিপরীতে ২ লক্ষ ৫৬ হাজার টাকা, পান্ডারখাল ব্রীজের মুখ হতে নতুন নগর হান্নানের বাড়ী পর্যন্ত সড়কের মাটি ভরাটে ৪৩ জন শ্রমিকের বিপরীতে ৩ লক্ষ ৪৪ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়।
পান্ডারগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ জানান, খুব শীঘ্রই প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে।
৬ নম্বর দোহালিয়া ইউনিয়নে ৫টি প্রকল্পে ১৭৪ জন শ্রমিকের বিপরীতে ১৩ লক্ষ ৯২ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
দোয়ারা খেয়াঘাট পাকা সড়কের মসজিদের পিছন হতে আবুল হোসেন মাজন এর বাড়ী পর্যন্ত এবং পানাইল পুরান পাড়া নতুন ব্রীজের মুখ পর্যন্ত সড়ক নির্মাণে ৪২ জন শ্রমিকের বিপরীতে ৩ লক্ষ ৩৬ হাজার টাকা, খাতুনে জান্নাত মহিলা মাদ্রাসার সামনে হতে দক্ষিণমুখী নিয়ামতপুর পুল এবং নিয়ামতপুর জামে মসজিদের আঙ্গিনায় মাটি ভরাট ৩৮ জন শ্রমিকের বিপরীতে ৩ লক্ষ ৪ হাজার টাকা, প্রতাবপুর গ্রামের পশ্চিমের অংশে ও দক্ষিণের পাকা সড়ক হতে উত্তরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন ব্রীজ পর্যন্ত সড়ক নির্মাণ এবং চৌমুনা পশ্চিমপাড়া মসজিদের আঙ্গিনায় মাটি ভরাটে ৩১জন শ্রমিকের বিপরীতে ২ লক্ষ ৪৮ হাজার টাকা, করলিয়া মিনা বাজার হয়ে উত্তর মুখী গুপ্ত মানিক বিলের পূর্ব অংশে কাদির মোল্লার বাড়ী সংলগ্ন সামনের কালভার্ট পর্যন্ত সড়ক মেরামতে ৩৮ জন শ্রমিকের বিপরীতে ৩ লক্ষ ৪ হাজার টাকা, পানাইল দক্ষিণ পাড়া অসক এর বাড়ীর পশ্চিম সীমা হতে নকুল বাবুর বাড়ীর সামনের সাঁকোঘাট পর্যন্ত সড়ক নির্মাণে ২৫ জন শ্রমিকের বিপরীতে ২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়।
দোহালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান কাজী মো. আনোয়ার মিয়া ফোন রিসিভ না করায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
৭ নম্বর লক্ষীপুর ইউনিয়নে ৬টি প্রকল্পে ১৭০ জন শ্রমিকের বিপরীতে ১৩ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এরুয়াখাই আব্দুর রহিমের বাড়ীর সড়ক ও রসরাই হাফেজিয়া মাদ্রাসার পাশের গর্ত ভরাটে ২৫ জন শ্রমিকের বিপরীতে ২লক্ষ টাকা, ইদ্রিসপুর গ্রামের বেড়ীবাঁধ হতে টিলা পর্যন্ত সড়ক নির্মাণে ২৫ জন শ্রমিকের বিপরীতে ২লক্ষ টাকা, মাঠগাঁও ফারুকের দোকানের পাশের ভাঙ্গা হতে ইসলামপুর গ্রামের সড়কের বিভিন্ন ভাঙ্গা ভরাটে ২৫জন শ্রমিকের বিপরীতে ২লক্ষ টাকা, রনভুমি রশিদের বাড়ী হতে হাজীগঞ্জ এরশাদের বাড়ী পর্যন্ত সড়ক নির্মাণে ২৫ জন শ্রমিকের বিপরীতে ২ লক্ষ টাকা, মাঠগাঁও জামে মসজিদের মাঠ ভরাট ও ভাংগাপারা গ্রামের সড়ক নির্মাণে ৩৭ জন শ্রমিকের বিপরীতে ২ লক্ষ ৯৬ হাজার টাকা, রসরাই কাশেমের বাড়ী হতে হাবিবুরের বাড়ী পর্যন্ত সড়ক নির্মাণে ২৫ জন শ্রমিকের বিপরীতে ২লক্ষ টাকা।
লক্ষীপুর ইউপি চেয়ারম্যান আমিরুল হক জানান, ৬টি প্রকল্পের কাজই চলমান আছে।
৮নম্বর বগুলা ইউনিয়নে ৩টি প্রকল্পে ১০৬ জন শ্রমিকের বিপরীতে ৮ লক্ষ ৪৮ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
আছিরনগর আব্দুল জলিলের বাড়ী হতে আব্দুস সালামের বাড়ী পর্যন্ত সড়ক পুনঃ নির্মাণে ২৫ জন শ্রমিকের বিপরীতে ২ লক্ষ টাকা, কাঠালবাড়ি মেইন সড়ক হতে উকিলের বাড়ী পর্যন্ত সড়ক নির্মাণে ২৫জন শ্রমিকের বিপরীতে ২ লক্ষ টাকা, বর্ডারহাট হতে শাহজাহানের বাড়ী পর্যন্ত সড়ক পুনঃ নির্মাণে ৫৬ জন শ্রমিকের বিপরীতে ৪ লক্ষ ৪৮ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়।
বগুলা ইউপি চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলাম জুয়েল জানান আগামী সপ্তাহে কাজ শুরু করা হবে।
৯নম্বর সুরমা ইউনিয়নে ৫টি প্রকল্পে ১৪৬ জন শ্রমিকের বিপরীতে ১১ লক্ষ ৬৮ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
গিরিসনগর রাজুর বাড়ী দুলুর বাড়ী পর্যন্ত সড়কের মাটি ভরাট ২৯ জন শ্রমিকের বিপরীতে ২ লক্ষ ৩২ হাজার টাকা, রাজনপুর আয়নালের বাড়ী হইতে গিরিসনগর আবুল কাশেমের বাড়ী হয়ে গিরিসনগর দেলুর দোকান পর্যন্ত মাটি ভরাট ৩০ জন শ্রমিকের বিপরীতে ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা, মামুনপুর বশির ডাক্তারের বাড়ী হতে বরকতনগর শফিকুল ইসলামের বাড়ী পর্যন্ত শ্রমিকের বিপরীতে মেরামত ২৯ জন শ্রমিকের বিপরীতে ২ লক্ষ ৩২ হাজার টাকা, বৈঠাখাই মোশাহিদের বাড়ী হতে বৈঠাখাই বাজার পর্যন্ত সড়কের মাটি ভরাটে ২৯ জন শ্রমিকের বিপরীতে ২ লক্ষ ৩২ হাজার টাকা, টেংরাটিলা জয়নালের বাড়ী হতে আব্দুল করিমের বাড়ী হয়ে সেলিমের বাড়ী পর্যন্ত সড়কের মাটি ভরাটে ২৯ জন শ্রমিকের বিপরীতে ২ লক্ষ ৩২ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়।
সুরমা ইউপি চেয়ারম্যান খন্দকার মামুনুর রশিদ জানান, ৫টি প্রকল্পের মধ্যে ৩টি প্রকল্পের কাজ চলমান। ২টি প্রকল্প খুব শীঘ্রই শুরু করা হবে।
এ ব্যাপারে দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা গোলাম আম্বিয়া জানান, অধিকাংশ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। বাকি প্রকল্পের কাজ খুব শীঘ্রই শুরু করার জন্য বলা হয়েছে। প্রকল্পের কাজ যথাযথভাবে না করলে বিল দেওয়া হবে না।