দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি
দোয়ারাবাজার উপজেলার সদর ইউনিয়নের খাদ্য বান্ধব কর্মসূচীর ১০ টাকা কেজি দরে চাউল বিক্রির ডিলার আলাউদ্দিন ও দুলাল মিয়ার বিরুদ্ধে ৩০ কেজি চাউলের মধ্যে ২৫ কেজি চাউল দেওয়া হয় মর্মে পূর্ব মাছিম পুর গ্রামের মৃত ইউসুব আলীর পুত্র জহির মিয়ার কাছ থেকে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেয় তারই ভাগনা একই গ্রামের সাবেক ডিলার আমরু মিয়ার পুত্র এমরান মিয়া। স্বাক্ষর করা সেই সাদা কাগজে বর্তমান ডিলার আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে চাল কম দেয়ার অভিযোগ এনে দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেন কার্ডদারী জহির মিয়াকে বাদী করে। জহির মিয়ার কার্ড নং ৯০৩৩০৩২৯৭।
খবর পেয়ে এ প্রতিবেদক জহির মিয়ার কাছে অভিযোগ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার কার্ড হারিয়ে যাবার পর আলাউদ্দিন চাচাকে বলছিলাম আমার কার্ড হারিয়ে গেছে, একথা বলার পর তালিকা দেখেই আমার ৩০ কেজি চাল দিয়ে দিয়েছেন তিনি। ডিলার আলাউদ্দিন চাচা আমার কার্ডের ৩০ কেজি চাউল সঠিক ভাবেই দিয়েছেন। আমাকে মাপে চাউল কম দেয় নাই। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে আমি দেখিও নাই এই পর্যন্ত। আমি কোন অভিযোগও করি নাই। এমনকি অভিযোগ আমি নিয়াও যাইনি। অভিযোগের ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না। আমার ভাগনা এমরান আমাকে রিলিফ সাহায্যের কথা বলে সাদা কাগজে আমার স্বাক্ষর নিয়ে সে নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে আমার নাম ব্যবহার করে আলাউদ্দিন ও দুলালের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছে।’
খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির ডিলার মো. আলাউদ্দিন বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানি করার উদ্দেশ্য নিয়া একটা অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে । আমরু মিয়া আগের ডিলার ছিলেন, অনেক কার্ডদারীর চাল আত্মসাৎ করেছেন তিনি। এইসব অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তার ডিলারশীপ বাতিল হয়েছে। এখন সে এবং তার ছেলে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছে। আমি এ পর্যন্ত কাউকে চাল কম দেই নাই।’


