দোয়ারায় সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত ৩০, ৭ জন গুলিবিদ্ধ

স্টাফ রিপোর্টার
দোয়ারাবাজার উপজেলায় ডোবায় মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে পুলিশসহ ৩০ জন আহত হয়েছেন। বুধবার বিকালে উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাজিতপুর গ্রামে দু’পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ৫১ রাউ- শর্টগানের গুলি ও ১১ রাউ- টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। এসময় পুলিশের ফাঁকা গুলিতে ৭ জন গুলিবিদ্ধ হন। এ ঘটনায় পুলিশ ৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।  
জানা যায়, মাছ ধরা নিয়ে বাজিতপুর গ্রামের আরফাত আলীর লোকজনের সঙ্গে  গ্রামের পঞ্চায়েত কমিটির লোকজনের কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে  উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।
ঘণ্টাব্যাপি সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়। সংঘর্ষ ঠেকাতে পুলিশ ৫১ রাউ- শর্টগানের গুলি ও ১১ রাউ- টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে। এসময় বাজিতপুর গ্রামের শিরুল (৩০), আনোয়ার (২৬), রাসেল (৩২), জিয়াউল (২৬), বদরুল (১৮), গিয়াস(৪০) সুনুর আলী (৩২) গুলিবিদ্ধ হয়।
উভয় পক্ষের অন্য আহতরা হলেন- নুর মিয়া (২৮), জুয়েল (২৮), জাবেদ (২৫), রমজান (৩২),বাসির (৪৫), ইকবাল (২৪), নুরুল (৩৫), সাজনা বেগম (২৮), জয়তেরা বেগম (৩২), মনফর আলী (৩৫), আনর আলী (৩৫), আফতাব উদ্দিন (৩০), আখতার হোসেন (২৫), দেলোয়ার হোসেন (৩০) ও আলী হোসেন (৪০)। আহতদের স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে,  সিলেট ওসমানী          মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সুনামগঞ্জ সদর হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সংঘর্ষের ঘটনায় এস.আই ছাইদুর রহমান, এএসআই শিবলু, কনস্টেবল আছকির মিয়া, সুমন ও জয়ন্ত আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে  আসাদুজ্জামান, আব্দুর রউফ, জাহাঙ্গীর মিয়া, আক্তার হোসেন ও আব্দুল মতিনকে আটক করা হয়েছে।
দোয়ারাবাজার থানার ওসি এনামুল হক জানান, সংঘর্ষে ৫১ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ও ১১ রাউন্ড টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। ঊভয় পক্ষের আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আছে।  ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।’
ঘটনার খবর পেয়ে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. দোলন মিয়া ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ ইদ্রিস আলী বীর প্রতীক  ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।