আমিনুল ইসলাম ও এমএ রাজ্জাক, তাহিরপুর
টাঙ্গুয়ার হাওরের দ্বিতীয় দিনের উৎসব শুরু হয়েছে শনিবার বিকাল ৪ টায়। জাতীয় সঙ্গীতের পর আদিবাসী নৃত্যের মধ্য দিয়ে শুরু হয় উৎসব। টাঙ্গুয়ার হাওর থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরের পাহাড়ী নদী যাদুকাটার পাড়ের বারেকের টিলায় চলছিল শেষ দিনের উৎসব।
মেঘালয়ের গারো পাহাড়ের সঙ্গে মিশে থাকা বারেকের টিলা এবং পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া পাহাড়ী নদী যাদুকাটার নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক দৃশ্য সকাল থেকেই উপভোগ করছিলেন পর্যটক ও উৎসুক দর্শকেরা। সকালে পর্যটক এবং দর্শকরা টাঙ্গুয়ার হাওর থেকে যার যার ট্রলারে করে, কেউ বা ট্রলার ছেড়ে বাগলি- টেকেরঘাট হয়ে বারেকের টিলায় এসেছেন।
মেঘালয়ের গারো পাহাড়ের কূল ঘেষে আসা পথে টেকেরঘাটের ‘নিলাদ্রি লেক’ ও ‘বাংলার কাশ্মির’ (পর্যটকদের দেওয়া নাম) দেখতে দেখতে বারেকের টিলায় এসে পৌঁছান পর্যটক ও দর্শকেরা।
সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত যাদুকাটায় প্রবাহমান স্বচ্ছ জলধারায় নেমে আনন্দ উপভোগ করেছেন এবং গোসলও সেরেছেন অনেকেই। কেউ কেউ আশ-পাশের আদিবাসী পল্লী ঘুরে আদিবাসীদের জীবন-যাত্রা প্রত্যক্ষ করেছেন।
বিকাল ৪ টায় জাতীয় সঙ্গীতের পর দেশের গানের তালে-লয়ে চলে আদিবাসী নৃত্য। এরপর শুরু হয় আলোচনা সভা।
আলোচনাসভায় বক্তব্য দেন- স্থানীয় সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল ও তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হোসেন খান।
দ্বিতীয় দিনের উৎসব মাতিয়ে রাখেন- নেত্রকোনার দুর্গাপুরের বিড়িসিড়ি একাডেমীর আদিবাসী নৃত্যশিল্পীরা, বাউল জয় সরকার, রাকিবা ইসলাম ঐশী, সুকেশ বর্মণ ও রূপম আখঞ্জি।
- ‘প্রকৃতিকে তার স্বাভাবিকত্ব বজায় রাখতে দেয়াই উত্তম’
- টাঙ্গুয়ায় জ্যোৎস্না উৎসব- বাইরের পর্যটক ছিলেন কম


