দ্রুত ধান ঘরে তুলতে পশ্চিম পাগলা ইউপি চেয়ারম্যানের মাইকিং

দক্ষিণ সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
দক্ষিণ সুনামগঞ্জের পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নে হাওরে পাকা ধান দ্রুত ঘরে তুলতে মাইকিং করেছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল হক। মঙ্গলবার দুপুর ১টা থেকে ইউনিয়নের প্রায় সবক’টি পয়েন্ট ও ধান শুকানোর খলায় গিয়ে হ্যান্ড মাইক দিয়ে সচেতনতামূলক মাইকিং করেন তিনি।
মাইকিংয়ে তিনি বলেন, আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে চলতি মাসের ২৭ তারিখ থেকে অতিবৃষ্টি শুরু হতে পারে। এতে হাওরে পানিবৃদ্ধি হয়ে অকাল বন্যার সৃষ্টি হবে। যদি এমনটা হয় তাহলে হাওরের সকল ধান পানিতে তলিয়ে যাবে। তাই যতদ্রুত সম্ভব আগামী ২৭ তারিখের ভিতরে হাওরের পাকা ধান ঘরে তুলতে হবে।
এ নির্দেশনা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রচার করা হয়েছে বলে জানান চেয়ারম্যান নুরুল হক।
জানা যায়, চেয়ারম্যান নুরুল হক মঙ্গলবার দুপুর থেকে ইউনিয়নের পাগলা বাজার বাসস্ট্যান্ড, স্কুলের মাঠের কাঁচাবাজার, পাগলার উত্তর বাজার, ইনাতনগর দুটি পয়েন্টে, বাঘেরকোনা, রসুলপুর সংলগ্ন খলা, সনাতন মন্দিরের পার্শ্ববর্তী খলা, দক্ষিণ বন্দের খলা, দেববাড়ি মোড়, রামকৃষ্ণ জিউর আখড়া সংলগ্ন সকল ধান শুকানোর খলা, বড়বাড়ির দক্ষিণের মাঠের খলা, পশ্চিম পাড়া (ব্রাহ্মণগাঁও) পয়েন্ট, কসবা বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উত্তরের খলা, হোসেনপুর পয়েন্ট, পয়েন্ট সংলগ্ন সবক’টি খলা ও পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের শেষ সীমানা পর্যন্ত স্থানে সচেতনতামূলক মাইকিং করেন চেয়ারম্যান নুরুল হক।
এছাড়াও ইউনিয়নের সকল ওয়ার্ডের মেম্বারদেরকে প্রতি ওয়ার্ডের সবক’টি মসজিদের মাইকে এ সচেতনতামূলক ঘোষণাটি প্রচার করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।
এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান নুরুল হক বলেন, আমাকে উপজেলা প্রশাসন থেকে এমনটা জানানো হলে আমি সমস্ত ইউনিয়নের ধান শুকানোর প্রায় সব জায়গাসহ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে নিজে গিয়ে হ্যান্ডমাইক হাতে নিয়ে কৃষকদের বলে এসেছি। কেউ কেউ আমার কাছে শ্রমিক সংকটের কথা বললে আমি সকল ব্যবসায়ীদের ব্যবসা সীমিত করে মাঠে গিয়ে কৃষকদের সহযোগিতা করা বা নিজেদের ধান নিজেরা কাটার পরামর্শ দিয়েছি।