সালেহ আহমদ, বিশ্বম্ভরপুর
সম্প্রতি ষষ্ঠ ধাপে ৪ জুন অনুষ্ঠিতব্য ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচনী ফলাফল ঘোষনা করা হলেও বাদাঘাট (দ.) ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে দুই প্রার্থী সমান ভোট পাওয়ায় ফলাফল স্থগিত ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী আ. গনী নৌকা প্রতীকে ও জাপা মনোনীত প্রার্থী মো. এরশাদ মিয়া লাঙ্গল প্রতীকে উভয়ে ৪০৩০ টি করে ভোট পান।
আওয়ালীগ প্রার্থী আ. গনী জানান, জাপা প্রার্থী এরশাদ মিয়া ও আমার প্রাপ্ত ভোট সমান হওয়ায় নির্বাচন কমিশন ফলাফল স্থগিত ঘোষণার ২ দিন পরই আমি ভোটগুলো পুন:গননা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করি। এখনও কোন নির্দেশ আমার হাতে পৌছে নি, তবে নির্বাচন কমিশনার পুনঃ নির্বাচনের জন্য হাইকোর্টে একটি সুপারিশ প্রেরণ করেছেন বলে শুনেছি।
জাপা প্রার্থী এরশাদ মিয়া জানান, নির্বাচনের ফলাফল স্থগিত ঘোষণার পর পুন:নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশিনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছি। এখনও কোন নির্দেশনা পাইনি।
সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাড. ছবাব মিয়া জানান, আ.লীগ প্রার্থী আঃ গনী ও জাপা প্রার্থী এরশাদ মিয়ার প্রাপ্ত ভোট সমান হওয়ায় ফলাফল স্থগিত ঘোষণা করা হয়। ১৭ আগস্ট আমি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে সম্পূর্ণ কার্যক্রম থেকে নিজেকে বিরত রেখেছি। তবে নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুমতি চেয়ে চিঠি লিখেছেন।
বাদাঘাট (দ.) ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ফুলেন সুত্রধর জানান, সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাড. ছবাব মিয়া ১৭ আগষ্ট ২০১৬ইং তারিখে তার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় পরিষদের যাবতীয় কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। ফলে জনদুর্ভোগ বেড়েছে। চেয়ারম্যান নির্বাচিত না হওয়ায় নির্বাচিত ইউপি সদস্যগন শপথ নেওয়ার পরও পরিষদের কোন কাজকর্মে অংশগ্রহণ করতে পারছেন না। নাগরিকত্ব সনদ, জন্ম সনদ দেওয়াও সম্ভব হচ্ছে না ।


